যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়ের সঙ্গে চরম টানাপোড়েনে সিআইএ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
২০২৬ সালের ১৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির শুনানিতে সাক্ষ্য দিচ্ছেন এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামস, জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড, ভারপ্রাপ্ত এনএসএ পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল উইলিয়াম হার্টম্যান এবং সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়ের (ওডিএনআই) সঙ্গে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর টানাপোড়েন চরম আকার ধারণ করেছে। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং কাজের এখতিয়ার নিয়ে তৈরি হওয়া এই তীব্র বিরোধের জেরে সিআইএ এখন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তথ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে চলমান ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা মূল্যায়নও রয়েছে।

আজ বুধবার (৩ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এক বিশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। অত্যন্ত সংবেদনশীল এই অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য সূত্রগুলো নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন সরকারি কর্মকর্তা এবং এই বিষয়ে অবগত তিন ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সিআইএ এবং ওডিএনআইর মধ্যে এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জ্বলছে। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিশ্লেষণাত্মক কাজে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। অথচ জটিল সব আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের যৌথ গোয়েন্দা বিশ্লেষণের ওপরই নির্ভর করে আসছেন।

সূত্রগুলোর দাবি, এই বিরোধের মূলে রয়েছে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ওডিএনআইর বিদায়ী পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডের গঠিত একটি বিশেষ টাস্কফোর্স। জন র‍্যাটক্লিফের নেতৃত্বাধীন সিআইএর অভিযোগ, গ্যাবার্ডের গঠিত ‘ডিরেক্টরস ইনিশিয়েটিভস গ্রুপ’ নামের ওই টাস্কফোর্সটি প্রথাগত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং গোপনীয়তা রক্ষার নিয়মকানুন লঙ্ঘন করে অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে কাজ করছে। অন্যদিকে, ওডিএনআই কর্মকর্তাদের পালটা অভিযোগ, সিআইএ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের এই গ্রুপের কাছে প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এই গোয়েন্দা দ্বন্দ্ব এমন এক বিপজ্জনক সময়ে সামনে এল, যখন একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে লিপ্ত, আর অন্যদিকে চীনের সামরিক বিস্তার থেকে শুরু করে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধসহ একাধিক বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের। একই সঙ্গে এই ঘটনা এটিও ইঙ্গিত করে যে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য যে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের (ডিএনআই) পদটি তৈরি করা হয়েছিল, সেই দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারও আসলে গোয়েন্দা ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা দূর করতে পুরোপুরি সফল হয়নি।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর বেথ স্যানার এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থার ধমনিগুলোতে যেন রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে, কোনো ব্লকেজ তৈরি না হয়— সেই পিচ্ছিলকারক তেল হিসেবে কাজ করার কথা ওডিএনআইর। আপনি যখন সেই কাজটি করতে ব্যর্থ হবেন, তখন সংস্থাগুলো আবার নিজেদের গুটিয়ে নেবে এবং এর চূড়ান্ত পরিণতি হবে গোয়েন্দা ব্যর্থতা।’

অবশ্য ওডিএনআইর মূল্যায়নের বাইরেও সিআইএর কাছে প্রেসিডেন্ট এবং নীতি-নির্ধারকদের কাছে ইরানসহ বিভিন্ন বিষয়ের গোয়েন্দা তথ্য পৌঁছানোর বিকল্প পথ রয়েছে। প্রেসিডেন্টের জন্য প্রতিদিন তৈরি করা অত্যন্ত গোপনীয় গোয়েন্দা সারসংক্ষেপের (প্রেসিডেন্সিয়াল ডেইলি ব্রিফ) একটি বড় অংশই সরবরাহ করে সিআইএ।

এদিকে গত ২২ মে তুলসী গ্যাবার্ড ঘোষণা করেছেন যে, স্বামীর অসুস্থতার কারণে আগামী ৩০ জুন তিনি জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। এরপর গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফেডারেল হাউজিং ফাইন্যান্স এজেন্সির প্রধান বিল পুলটেকে ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা পরিচালক হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ওডিএনআইর মুখপাত্র অলিভিয়া কোলম্যান বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এবং নীতি-নির্ধারকরা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তথ্য ও বিশ্লেষণ পাওয়াই অব্যাহত রেখেছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ওডিএনআই এবং এর আওতাধীন সংস্থাগুলো সিআইএর সমকক্ষদের সঙ্গে প্রতিদিন সমস্ত গোয়েন্দা কার্যক্রম ও অপারেশনে যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখছে। কোলম্যানের দাবি, ডিরেক্টরস ইনিশিয়েটিভস গ্রুপটি ওডিএনআইর তদারকি ক্ষমতার ভেতরে থেকেই এবং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ মেনেই কাজ করছিল।

তবে রয়টার্স গত ফেব্রুয়ারিতেই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল যে, এই গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে কংগ্রেসের কঠোর নজরদারির মুখে গ্যাবার্ড এই গ্রুপটি ভেঙে দেন এবং এর কর্মীদের সংস্থার অন্য বিভাগে বদলি করেন।

অন্যদিকে, সিআইএর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর লিজ লায়ন্স এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পরিচালক র‍্যাটক্লিফের অধীনে সিআইএ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অগ্রাধিকারগুলোকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আমাদের শত্রুদের পরাস্ত করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে একটি চূড়ান্ত সুবিধাজনক অবস্থানে রাখতে সংস্থাটি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ঝুঁকি নিয়ে আরও আগ্রাসী ভূমিকা পালন করছে।’

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল বলেন, ট্রাম্পের ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ (Peace through strength) পররাষ্ট্রনীতি একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি, যা আমেরিকাকে নিরাপদ রাখে এবং বৈশ্বিক হুমকি প্রতিহত করে। অভ্যন্তরীণ বিভেদ তৈরির যেকোনো সংবাদমাধ্যমের চেষ্টা ব্যর্থ হবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তার পুরো জাতীয় নিরাপত্তা দলের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’

গোয়েন্দা মূল্যায়নে কমছে সহযোগিতা

গ্যাবার্ডের কার্যালয় থেকে তৈরি করা মূল্যায়নে সিআইএর অবদান নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দেওয়াকে দুই সংস্থার মধ্যকার পারস্পরিক অবিশ্বাসের সবচেয়ে মারাত্মক পরিণতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা বিশ্লেষণকারী সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিলে’র (এনআইসি) প্রতিবেদন তৈরিতে সিআইএ বরাবরই প্রধান ভূমিকা পালন করত। বিশেষ করে যুদ্ধকালীন সময়ে এই প্রতিবেদনগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

সরাসরি এই বিষয়ে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে যেখানে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরাসরি লড়াই করছে, সেই ইরান সংক্রান্ত গোয়েন্দা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সিআইএ এখন আর নিয়মিত অংশ নিচ্ছে না। সূত্রগুলোর মতে, সিআইএ এবং ওডিএনআই এখন মূলত দুটি পৃথক বিশ্লেষণধর্মী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

পরিস্থিতি কতটা ঘোলাটে হয়েছিল তা বোঝাতে সূত্রগুলো জানায়, গত বছর দুই সংস্থার বিরোধের এক পর্যায়ে সিআইএ তাদের নিয়ন্ত্রিত অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ডিস্ট্রিবিউশন সার্ভিসে এনআইসির প্রতিবেদনগুলো প্রকাশ করা বন্ধ করে দিয়েছিল, যার ফলে অন্য সংস্থাগুলোর জন্য সেই বিশ্লেষণগুলো পাওয়া সাময়িকভাবে কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে মার্কিন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, একটি ‘প্রক্রিয়াগত সমস্যার’ কারণে প্রতিবেদনগুলো মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য আটকে ছিল।

চারটি ভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্যাবার্ড দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এই আন্তঃসংস্থা বিরোধের সূত্রপাত হয়। দায়িত্ব নিয়েই তিনি গোপনীয় গোয়েন্দা সারসংক্ষেপ তৈরির ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করার চেষ্টা করেন, যেখানে ঐতিহাসিকভাবে সিআইএ নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছিল।

পরবর্তীতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথাকথিত ‘রাজনৈতিকীকরণ’ উপড়ে ফেলার নাম করে ‘ডিরেক্টরস ইনিশিয়েটিভস গ্রুপ’ গঠনের পর সম্পর্ক আরও বিষিয়ে ওঠে। এই গ্রুপটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত নথিপত্র অবমুক্ত করা, নির্বাচনি ভোটিং মেশিনের নিরাপত্তা এবং কোভিড-১৯-এর উৎস অনুসন্ধানের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তদন্ত শুরু করে।

তবে সমালোচক এবং বেশ কয়েকজন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার অভিযোগ, এই গ্রুপটি আসলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। টাস্কফোর্সের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে সিআইএর ওপর ওডিএনআইর তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার চাপ দিলেও, সিআইএ পর্যাপ্ত তথ্য দেয়নি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি।

সিআইএ কর্মকর্তাদের বহিষ্কার ও দ্বন্দের বহিঃপ্রকাশ

২০২৫ সালের মে মাসে গ্যাবার্ড এনআইসির নেতৃত্বে থাকা সিআইএর দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, কাজের পরিবেশ নষ্ট করা এবং অতীতে গোয়েন্দা তথ্যকে রাজনৈতিকীকরণ করার সুনির্দিষ্ট নথির ভিত্তিতেই ওডিএনআই ওই দুজনকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ ওই কর্মকর্তা দেননি।

এরপর আগস্টে গ্যাবার্ড ৩৭ জন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বা নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল করেন। এই প্রক্রিয়ায় বিদেশে দায়িত্বরত সিআইএর একজন ছদ্মবেশী (আন্ডারকভার) কর্মকর্তার পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। গ্যাবার্ড অভিযোগ করেছিলেন যে, এই ৩৭ জন কর্মকর্তা গোয়েন্দা তথ্য ফাঁস এবং রাজনৈতিকীকরণ করেছেন, যদিও এর কোনো প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করেননি।

সাবেক কর্মকর্তাদের একাংশের অভিযোগ, এটি ছিল মূলত ২০১৭ সালের একটি গোয়েন্দা মূল্যায়নের প্রতিশোধ। ওই মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে জেতাতে রাশিয়া ব্যাপক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়েছিল।

সিআইএ এবং ওডিএনআইর এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব গত মাসে পুরোপুরি প্রকাশ্যে আসে। ডিরেক্টরস ইনিশিয়েটিভস গ্রুপে দায়িত্বরত সিআইএর একজন কর্মকর্তা সিনেট কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিয়ে বলেন যে, সিআইএ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোভিড-১৯-এর উৎসের খোঁজে গঠিত ওই গ্রুপের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ আটকে দিয়েছিল।

এই ঘটনা তদন্তের দায়িত্বে থাকা দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন, ওই অভিযোগের পর ওডিএনআইর ভেতরেই একটি স্বাধীন নজরদারি প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা সংস্থার ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই তদন্তের পরিধি ঠিক কতখানি, তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।

রাজনীতি/আইআর

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল ২১ জনের, বেশিরভাগই বিদেশি

ভারতের দিল্লি নগরীর এক আবাসিক হোটেল ও নিচে থাকা রেস্তোরাঁয় আগুন লেগে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে মালভিয়া নগরের একটি পাঁচতলা ভবনের বেজমেন্টের লেমন গ্রিন রেস্তোরাঁয় আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।

১০ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে অতিরিক্ত ১০-১২.৫% শুল্কারোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

প্রস্তাবিত এই শুল্ক ও অন্যান্য প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত জনসাধারণের মতামত ও মন্তব্য গ্রহণ করবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর)। আর এই বিষয়ে একটি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ জুলাই।

১২ ঘণ্টা আগে

ইরানে দফায় দফায় মার্কিন হামলা, পালটা আঘাত তেহরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও মিত্র দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের কথিত হামলার চেষ্টার জবাবে কেশম দ্বীপে এ অভিযান চালানো হয়। সেন্টকমের দাবি, অভিযানে একটি ইরানি সামরিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে বেসামরিক জাহাজের দিক

১৫ ঘণ্টা আগে

মাশহাদে দাফন, ৩ শহরে আলি খামেনির জানাজায় কোটি মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি

তাওয়াকোলিজাদেহ আরও জানান, রাজধানী তেহরানসহ কোম ও মাশহাদ শহরে জানাজার পর মাশহাদ শহরে দাফন করা হবে আলি খামেনিকে। ইরানের অন্যতম ধর্মীয় তীর্থস্থান এই শহরেই শিয়া মতাবলম্বীদের অন্যতম ইমাম আলি ইবনে মুসা ওরফে ইমাম রেজা (আ.)-এর সমাধি অবস্থিত।

১ দিন আগে