
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবার ছড়িয়ে পড়ল ভারত মহাসাগরের গভীর জলসীমায়। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ-মার্কিন যৌথ সামরিক ঘাঁটি ‘দিয়েগো গার্সিয়া’ লক্ষ্য করে দুটি মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) এমন তথ্য জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরের এই ঘাঁটিতে হামলা চালানোর চেষ্টা ইরানের ঘোষিত সামরিক সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। যদিও একটি ক্ষেপণাস্ত্র যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়ে এবং অন্যটি মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বাধাগ্রস্ত হয়, তবে এই পদক্ষেপ ওয়াশিংটন ও লন্ডনের জন্য এক বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রাণহানির পর তেহরানের এই মরিয়া পাল্টা আঘাত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।
এই হামলার বিষয়ে ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র, কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি।
তবে এই হামলার চেষ্টা ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। দিয়েগো গার্সিয়া ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা গত মাসে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষিত ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার সীমার দ্বিগুণ।
ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রস্থলে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ দিয়েগো গার্সিয়া। ১৯৭০-এর দশক থেকে এখানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক উপস্থিতি রয়েছে ও এটি দীর্ঘ-পাল্লার বোমারু বিমানসহ বিভিন্ন ‘কৌশলগত সামরিক সম্পদের ঘাঁটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হয়, যাতে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।
এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সেইসব দেশকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবার ছড়িয়ে পড়ল ভারত মহাসাগরের গভীর জলসীমায়। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ-মার্কিন যৌথ সামরিক ঘাঁটি ‘দিয়েগো গার্সিয়া’ লক্ষ্য করে দুটি মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) এমন তথ্য জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরের এই ঘাঁটিতে হামলা চালানোর চেষ্টা ইরানের ঘোষিত সামরিক সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। যদিও একটি ক্ষেপণাস্ত্র যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়ে এবং অন্যটি মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বাধাগ্রস্ত হয়, তবে এই পদক্ষেপ ওয়াশিংটন ও লন্ডনের জন্য এক বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রাণহানির পর তেহরানের এই মরিয়া পাল্টা আঘাত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।
এই হামলার বিষয়ে ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র, কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি।
তবে এই হামলার চেষ্টা ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। দিয়েগো গার্সিয়া ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা গত মাসে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষিত ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার সীমার দ্বিগুণ।
ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রস্থলে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ দিয়েগো গার্সিয়া। ১৯৭০-এর দশক থেকে এখানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক উপস্থিতি রয়েছে ও এটি দীর্ঘ-পাল্লার বোমারু বিমানসহ বিভিন্ন ‘কৌশলগত সামরিক সম্পদের ঘাঁটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হয়, যাতে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।
এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সেইসব দেশকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে