
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি মধ্যপ্রাচ্যে ‘নিজেদের স্বার্থ রক্ষা’য় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে। দেশ তিনটি এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের ‘বাছবিচারহীন ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্ৎস বিবৃতিতে তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তেহরান যেন হামলা বন্ধ করে।
শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলে হামলা শুরু করে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশেও হামলা করে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানি সুদীর্ঘ দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত। এ কারণেই ইরানের ওপর হামলার ঘটনাতেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে। এমনকি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যায় ফ্রান্স সন্তোষও জানিয়েছে।
ইউরোপের এই তিন দেশ বলছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ও তাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা আমাদের এবং এই অঞ্চলে আমাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নেব।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপের সক্ষমতা তাদের উৎসমুখেই ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা প্রস্তুত।
কেবল ইউরোপের এই তিন দেশ নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশই চলমান যুদ্ধে ইরানের বিপক্ষে ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের হামলাকে তারা ‘সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ বলে বিবৃতি দিয়েছে। চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানই কেবল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি মধ্যপ্রাচ্যে ‘নিজেদের স্বার্থ রক্ষা’য় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে। দেশ তিনটি এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের ‘বাছবিচারহীন ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্ৎস বিবৃতিতে তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তেহরান যেন হামলা বন্ধ করে।
শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলে হামলা শুরু করে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশেও হামলা করে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানি সুদীর্ঘ দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত। এ কারণেই ইরানের ওপর হামলার ঘটনাতেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে। এমনকি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যায় ফ্রান্স সন্তোষও জানিয়েছে।
ইউরোপের এই তিন দেশ বলছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ও তাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা আমাদের এবং এই অঞ্চলে আমাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নেব।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপের সক্ষমতা তাদের উৎসমুখেই ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা প্রস্তুত।
কেবল ইউরোপের এই তিন দেশ নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশই চলমান যুদ্ধে ইরানের বিপক্ষে ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের হামলাকে তারা ‘সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ বলে বিবৃতি দিয়েছে। চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানই কেবল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে।

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
১০ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে