
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলের নাইজার রাজ্যের ক্যাথলিক বোর্ডিং স্কুল থেকে অপহরণের শিকার ১৩০ শিক্ষার্থীকে মুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। এর আগে এ মাসের শুরুতে আরও প্রায় ১০০ শিশু শিক্ষার্থীকে মুক্ত করা হয়েছিল। নাইজেরিয়া সরকার বলছে, এর ফলে অপহরণের শিকার সব শিশু শিক্ষার্থী মুক্তি পেল।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত ২১ নভেম্বর নাইজার রাজ্যের পাপিরি এলাকার সেন্ট মেরিস ক্যাথলিক স্কুল থেকে কর্মী ও শিশু শিক্ষার্থীদের অপহরণের ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কতজনকে অপহরণ করা হয়েছিল এবং কতজন বন্দিদশায় ছিল, তা নিয়ে অস্পষ্টতা ছিল।
নাইজেরিয়ার কেন্দ্র সরকার এ ঘটনাকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ গণঅপহরণের ঘটনা বলে অভিহিত করেছিল। কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই গণঅপহরণের ঘটনায় বাকি ১৩০ শিশু ও কর্মীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখন আর কোনো শিশু বন্দিদশায় নেই। এ মুক্তি সরকারের জন্য জয় ও স্বস্তির মুহূর্ত।
সবশেষ ১৩০ জনকে মুক্ত করার জন্য সরকার কীভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে বা কোনো মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে কি না— এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সরকার।
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবুর মুখপাত্র বায়ো ওনানুগা রোববার বলেন, মুক্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন ২৩০। সবাই মুক্তি পেয়েছে।
ওনানুগার ঘোষণার সঙ্গে শিশুদের হাসিমুখে হাত নাড়ানোর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সোমবার নাইজার রাজ্যের রাজধানী মিন্নায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে এ মাসের শুরুর দিকে ১০০ শিশু শিক্ষার্থীর মুক্তির সময় নাসারাওয়া রাজ্যের গভর্নর আবদুল্লাহি সুলে স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, কেন্দ্র সরকার এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে শিক্ষার্থীদের মুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়াটি প্রকাশ করেননি তিনি।
নাইজেরিয়ার ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, অপহরণের সময় ৫০ শিক্ষার্থী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। নভেম্বরের এই অপহরণ ছিল উত্তর ও মধ্য নাইজেরিয়ায় স্কুল ও উপাসনালয়ে ক্রমবর্ধমান হামলার সবশেষ ঘটনা।
ওই ঘটনার তিন দিন আগে ১৮ নভেম্বরও গণঅপহরণ ঘটেছিল। সে দিন কোয়ারা রাজ্যে ক্রাইস্ট অ্যাপোস্টলিক চার্চে হামলায় দুজন নিহত হন, হামলাকারীরা অপহরণ করে নিয়ে যান ৩৮ জনকে। এর এক দিন আগে কেব্বি রাজ্যের গভর্নমেন্ট গার্লস সেকেন্ডারি স্কুলেও হামলায় দুজন নিহত হন, ২৫ মুসলিম ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সবাইকে মুক্ত করা হয়।
এসব অপহরণের পেছনে কারা রয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, অপরাধী চক্রগুলো মুক্তিপণের জন্য এসব ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলের নাইজার রাজ্যের ক্যাথলিক বোর্ডিং স্কুল থেকে অপহরণের শিকার ১৩০ শিক্ষার্থীকে মুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। এর আগে এ মাসের শুরুতে আরও প্রায় ১০০ শিশু শিক্ষার্থীকে মুক্ত করা হয়েছিল। নাইজেরিয়া সরকার বলছে, এর ফলে অপহরণের শিকার সব শিশু শিক্ষার্থী মুক্তি পেল।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত ২১ নভেম্বর নাইজার রাজ্যের পাপিরি এলাকার সেন্ট মেরিস ক্যাথলিক স্কুল থেকে কর্মী ও শিশু শিক্ষার্থীদের অপহরণের ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কতজনকে অপহরণ করা হয়েছিল এবং কতজন বন্দিদশায় ছিল, তা নিয়ে অস্পষ্টতা ছিল।
নাইজেরিয়ার কেন্দ্র সরকার এ ঘটনাকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ গণঅপহরণের ঘটনা বলে অভিহিত করেছিল। কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই গণঅপহরণের ঘটনায় বাকি ১৩০ শিশু ও কর্মীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখন আর কোনো শিশু বন্দিদশায় নেই। এ মুক্তি সরকারের জন্য জয় ও স্বস্তির মুহূর্ত।
সবশেষ ১৩০ জনকে মুক্ত করার জন্য সরকার কীভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে বা কোনো মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে কি না— এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সরকার।
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবুর মুখপাত্র বায়ো ওনানুগা রোববার বলেন, মুক্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন ২৩০। সবাই মুক্তি পেয়েছে।
ওনানুগার ঘোষণার সঙ্গে শিশুদের হাসিমুখে হাত নাড়ানোর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সোমবার নাইজার রাজ্যের রাজধানী মিন্নায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে এ মাসের শুরুর দিকে ১০০ শিশু শিক্ষার্থীর মুক্তির সময় নাসারাওয়া রাজ্যের গভর্নর আবদুল্লাহি সুলে স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, কেন্দ্র সরকার এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে শিক্ষার্থীদের মুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়াটি প্রকাশ করেননি তিনি।
নাইজেরিয়ার ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, অপহরণের সময় ৫০ শিক্ষার্থী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। নভেম্বরের এই অপহরণ ছিল উত্তর ও মধ্য নাইজেরিয়ায় স্কুল ও উপাসনালয়ে ক্রমবর্ধমান হামলার সবশেষ ঘটনা।
ওই ঘটনার তিন দিন আগে ১৮ নভেম্বরও গণঅপহরণ ঘটেছিল। সে দিন কোয়ারা রাজ্যে ক্রাইস্ট অ্যাপোস্টলিক চার্চে হামলায় দুজন নিহত হন, হামলাকারীরা অপহরণ করে নিয়ে যান ৩৮ জনকে। এর এক দিন আগে কেব্বি রাজ্যের গভর্নমেন্ট গার্লস সেকেন্ডারি স্কুলেও হামলায় দুজন নিহত হন, ২৫ মুসলিম ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সবাইকে মুক্ত করা হয়।
এসব অপহরণের পেছনে কারা রয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, অপরাধী চক্রগুলো মুক্তিপণের জন্য এসব ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

ইসলামাবাদে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এ কথা বলেন। তিনি জানান, তিন দেশের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক, পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এই মুহূর্তে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ বা নতুন সদস্য নেওয়ার কোনো আলোচনা নেই।
১৭ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
১৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৯ ঘণ্টা আগে