
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘায়িত ইউক্রেন যুদ্ধে কিয়েভ বাহিনীর ব্যাপক প্রাণহানি ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে রাশিয়া। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে পশ্চিমাদের সরবরাহ করা হাজার হাজার ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান।
গত বুধবার মস্কোয় আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, যা ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বেলৌসোভ জানান, বিপুল প্রাণহানির প্রভাবে ইউক্রেনের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে বেসামরিক জনগণের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহও কমে গেছে।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, চলতি বছরে ইউক্রেন শুধু জনবলেই নয়, সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামেও বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাঁর তথ্যমতে, এ সময়ে এক লাখ ৩ হাজারের বেশি সামরিক সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার ৫০০ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান রয়েছে। এসবের একটি বড় অংশ পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় ইউক্রেন পেয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
ইউক্রেন সংকটের পেছনের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া বলছে, ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তৎপরতার কারণে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর ২০২২ সালে রুশ বাহিনী সামরিক অভিযান শুরু করে। যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এক ডিক্রির মাধ্যমে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
যুদ্ধের শুরুর দিকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদানের ন্যূনতম বয়স ছিল ২৭ বছর, যা পরে কমিয়ে ২৫ বছর করা হয়। এদিকে গত এক বছরে বিভিন্ন অঞ্চলে বাধ্যতামূলক সেনা সমাবেশ ঘিরে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবরও প্রকাশ পেয়েছে।
তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সর্বশেষ দাবির বিষয়ে ইউক্রেন সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দীর্ঘায়িত ইউক্রেন যুদ্ধে কিয়েভ বাহিনীর ব্যাপক প্রাণহানি ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে রাশিয়া। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে পশ্চিমাদের সরবরাহ করা হাজার হাজার ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান।
গত বুধবার মস্কোয় আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, যা ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বেলৌসোভ জানান, বিপুল প্রাণহানির প্রভাবে ইউক্রেনের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে বেসামরিক জনগণের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহও কমে গেছে।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, চলতি বছরে ইউক্রেন শুধু জনবলেই নয়, সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামেও বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাঁর তথ্যমতে, এ সময়ে এক লাখ ৩ হাজারের বেশি সামরিক সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার ৫০০ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান রয়েছে। এসবের একটি বড় অংশ পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় ইউক্রেন পেয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
ইউক্রেন সংকটের পেছনের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া বলছে, ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তৎপরতার কারণে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর ২০২২ সালে রুশ বাহিনী সামরিক অভিযান শুরু করে। যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এক ডিক্রির মাধ্যমে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
যুদ্ধের শুরুর দিকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদানের ন্যূনতম বয়স ছিল ২৭ বছর, যা পরে কমিয়ে ২৫ বছর করা হয়। এদিকে গত এক বছরে বিভিন্ন অঞ্চলে বাধ্যতামূলক সেনা সমাবেশ ঘিরে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবরও প্রকাশ পেয়েছে।
তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সর্বশেষ দাবির বিষয়ে ইউক্রেন সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বৈশ্বিক সংঘাত ও দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে আমন্ত্রণ পাঠিয়েও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী নির্বাচনে এই জামায়াতকেই যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। বন্ধু হিসেবে তাদের পাশেও পেতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করবে না। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের কথা না শুনে সেটি করেও, তাহলে শুল্ক আরোপসহ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
১ দিন আগে
এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
১ দিন আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, বুধবার নিহত তিন ফটো সাংবাদিক একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তাঁরা ‘মিসরীয় কমিটি ফর গাজা রিলিফের’ হয়ে কাজ করতেন, যা গাজায় মিসরের ত্রাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।
১ দিন আগে