
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক মাস আগে দেশটির নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তাকারী স্বাধীন ফেডারেল সংস্থা ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনের (ইএসি) বাকি সদস্যদেরও সরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার চার সদস্যের দ্বিদলীয় ইএসি কমিশনের অবশিষ্ট তিন সদস্যই দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন। এর মধ্যে রিপাবলিকান দলের মনোনীত একজন কমিশনার পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনীত দুই কমিশনারকে হোয়াইট হাউজের প্রেসিডেন্সিয়াল পারসোনেল অফিস থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতির নোটিশ দেওয়া হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে—ওই ই-মেইলে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনের কমিশনার হিসেবে আপনার দায়িত্ব অবিলম্বে কার্যকরভাবে শেষ করা হলো।’
তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংস্থাটি নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে তথ্য ও কারিগরি সহায়তা দেয়, ভোটিং সিস্টেম পরীক্ষাকারী ল্যাবরেটরিগুলোকে অনুমোদন দেয়, ভোটিং যন্ত্রের মান যাচাই করে এবং জাতীয় ভোটার নিবন্ধন ফরম পরিচালনায় সহায়তা করে।
ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির ভোটিং ব্যবস্থার কিছু বিষয়ে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। বিশেষ করে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার নিয়ম কঠোর করার পক্ষে মত দিয়েছেন ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নিয়েও ট্রাম্প বারবার প্রশ্ন তুলেছেন। ওই নির্বাচনে তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন।
অ্যারিজোনার সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যাড্রিয়ান ফন্তেস ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দেশজুড়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য বিশৃঙ্খলা তৈরি করার এ ধরনের পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপজ্জনক। তার মতে, এতে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা দুর্বল হতে পারে।
২০০২ সালের হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ইএসির নতুন সদস্য নিয়োগ দিতে পারেন। তবে ট্রাম্প কীভাবে কমিশন পুনর্গঠন করবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এ ধরনের পদক্ষেপ নতুন নয়। এর আগে তিনি ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি), ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস বোর্ড (এনএলআরবি) এবং মেরিট সিস্টেমস প্রোটেকশন বোর্ডের মতো স্বাধীন সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাকে সরিয়েছেন। এসব সিদ্ধান্তের কয়েকটি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
সবশেষ ইএসি সদস্যদের অপসারণও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা। তাদের মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পরিচালনাকারী স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক মাস আগে দেশটির নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তাকারী স্বাধীন ফেডারেল সংস্থা ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনের (ইএসি) বাকি সদস্যদেরও সরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার চার সদস্যের দ্বিদলীয় ইএসি কমিশনের অবশিষ্ট তিন সদস্যই দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন। এর মধ্যে রিপাবলিকান দলের মনোনীত একজন কমিশনার পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনীত দুই কমিশনারকে হোয়াইট হাউজের প্রেসিডেন্সিয়াল পারসোনেল অফিস থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতির নোটিশ দেওয়া হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে—ওই ই-মেইলে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনের কমিশনার হিসেবে আপনার দায়িত্ব অবিলম্বে কার্যকরভাবে শেষ করা হলো।’
তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংস্থাটি নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে তথ্য ও কারিগরি সহায়তা দেয়, ভোটিং সিস্টেম পরীক্ষাকারী ল্যাবরেটরিগুলোকে অনুমোদন দেয়, ভোটিং যন্ত্রের মান যাচাই করে এবং জাতীয় ভোটার নিবন্ধন ফরম পরিচালনায় সহায়তা করে।
ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির ভোটিং ব্যবস্থার কিছু বিষয়ে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। বিশেষ করে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার নিয়ম কঠোর করার পক্ষে মত দিয়েছেন ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নিয়েও ট্রাম্প বারবার প্রশ্ন তুলেছেন। ওই নির্বাচনে তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন।
অ্যারিজোনার সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যাড্রিয়ান ফন্তেস ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দেশজুড়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য বিশৃঙ্খলা তৈরি করার এ ধরনের পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপজ্জনক। তার মতে, এতে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা দুর্বল হতে পারে।
২০০২ সালের হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ইএসির নতুন সদস্য নিয়োগ দিতে পারেন। তবে ট্রাম্প কীভাবে কমিশন পুনর্গঠন করবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এ ধরনের পদক্ষেপ নতুন নয়। এর আগে তিনি ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি), ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস বোর্ড (এনএলআরবি) এবং মেরিট সিস্টেমস প্রোটেকশন বোর্ডের মতো স্বাধীন সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাকে সরিয়েছেন। এসব সিদ্ধান্তের কয়েকটি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
সবশেষ ইএসি সদস্যদের অপসারণও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা। তাদের মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পরিচালনাকারী স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
৯ ঘণ্টা আগে
বিস্ফোরণের খবর পেয়েই দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক উদ্ধারকারী ইউনিট। তবে ভেতরের গোলাবারুদে একের পর এক সেকেন্ডারি বিস্ফোরণ ঘটতে থাকায় আগুন নেভানোর কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এলাকাটি থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষ
১০ ঘণ্টা আগে
দুই পক্ষের এসব হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের আশপাশের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত জুলাইয়ের পর প্রথমবার।
১ দিন আগে
৭ অক্টোবর ২০২৩-এর ভোরে হাজার হাজার হামাস যোদ্ধা গাজা সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে ঢুকে পড়ে। সীমান্তবর্তী সামরিক ঘাঁটি ও বসতিতে একযোগে হামলা চালানো হয়। রকেট হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল। হামলায় ১২ শতাধিক বেশি ইসরায়েলি নিহত হন।
১ দিন আগে