
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দক্ষিণ ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে স্পেনের বিভিন্ন অঞ্চল। স্পেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আলমেরিয়া প্রদেশের লস গায়ার্দোস এলাকায় দাবানলের তাণ্ডবে এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৯ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আকস্মিকভাবে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে বনাঞ্চলে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ধারকর্মীরা বনাঞ্চলের রাস্তা থেকে চলন্ত গাড়ির ভেতর আটকে থাকা বেশ কয়েকজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছেন। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স ও পর্তুগালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে দাবানল আরও বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জলকামানসহ শত শত দমকলকর্মী দিনরাত কাজ করছেন। এই বিধ্বংসী আগুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য বনাঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকা থেকে ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্পেনের দমকল কর্মকর্তা কার্লোস কাবালেরো জানান, দাবানলের তীব্রতা ও ভয়াবহতা অস্বাভাবিক বেশি হওয়ায় তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্পেনের সামরিক জরুরি ইউনিটও দমকল বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত মে মাসেই স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, গ্রীষ্মকালীন দাবানল মোকাবিলায় এবার দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জরুরি ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে। চলতি বছরের জুনে স্পেনে ১৯৫০ সালের পর সর্বোচ্চ দাবানল ও গরমের রেকর্ড তৈরি হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে দেশের কিছু এলাকায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছে, যা দাবানলকে আরও উসকে দিতে পারে। ইউরোপিয়ান ফরেস্ট ফায়ার ইনফরমেশন সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর স্পেনে রেকর্ড ৩ লাখ ৯৩ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা দাবানলে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়, যা গত দুই দশকের গড়ের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি।
কেবল স্পেনই নয়, তীব্র দাবানলের ঝুঁকিতে পুড়ছে প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সও। দেশটিতে বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। তীব্র গরম ও অনাবৃষ্টির কারণে ফ্রান্সের বিখ্যাত লেয়ের নদীর পানি পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে, যা বনাঞ্চলের আগুন লাগার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সামনের দিনগুলোতে ইউরোপজুড়ে এই দাবানলের ভয়াবহতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
রাজনীতি/এসআর

দক্ষিণ ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে স্পেনের বিভিন্ন অঞ্চল। স্পেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আলমেরিয়া প্রদেশের লস গায়ার্দোস এলাকায় দাবানলের তাণ্ডবে এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৯ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আকস্মিকভাবে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে বনাঞ্চলে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ধারকর্মীরা বনাঞ্চলের রাস্তা থেকে চলন্ত গাড়ির ভেতর আটকে থাকা বেশ কয়েকজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছেন। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স ও পর্তুগালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে দাবানল আরও বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জলকামানসহ শত শত দমকলকর্মী দিনরাত কাজ করছেন। এই বিধ্বংসী আগুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য বনাঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকা থেকে ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্পেনের দমকল কর্মকর্তা কার্লোস কাবালেরো জানান, দাবানলের তীব্রতা ও ভয়াবহতা অস্বাভাবিক বেশি হওয়ায় তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্পেনের সামরিক জরুরি ইউনিটও দমকল বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত মে মাসেই স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, গ্রীষ্মকালীন দাবানল মোকাবিলায় এবার দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জরুরি ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে। চলতি বছরের জুনে স্পেনে ১৯৫০ সালের পর সর্বোচ্চ দাবানল ও গরমের রেকর্ড তৈরি হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে দেশের কিছু এলাকায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছে, যা দাবানলকে আরও উসকে দিতে পারে। ইউরোপিয়ান ফরেস্ট ফায়ার ইনফরমেশন সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর স্পেনে রেকর্ড ৩ লাখ ৯৩ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা দাবানলে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়, যা গত দুই দশকের গড়ের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি।
কেবল স্পেনই নয়, তীব্র দাবানলের ঝুঁকিতে পুড়ছে প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সও। দেশটিতে বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। তীব্র গরম ও অনাবৃষ্টির কারণে ফ্রান্সের বিখ্যাত লেয়ের নদীর পানি পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে, যা বনাঞ্চলের আগুন লাগার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সামনের দিনগুলোতে ইউরোপজুড়ে এই দাবানলের ভয়াবহতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
রাজনীতি/এসআর

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দিনের হামলার জবাব হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করা হয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদের দিকে এগিয়ে যায় খামেনির মরদেহবাহী ট্রাক। রাস্তার দুই পাশে কালো পোশাক পরা লাখো শোকাহত মানুষ ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা শবযাত্রার সময় পুরো শহরে শোক, ধর্মীয় আবেগ ও প্রতিশোধের আহ্বানের মিশ্র পরিবেশ
১৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ খবর দিয়েছে গালফ নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, বিগ টিকেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজয়ী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আতিক হাসানের টিকিট নম্বর ছিল ৩৫৯৬৮৫। তবে তিনি কত দিন ধরে এই ড্রতে অংশ নিচ্ছিলেন বা পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
১৯ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সারচার্জ বা প্রসেসিং ফি প্রযোজ্য হবে, যা সেবাগ্রহীতাকে বহন করতে হবে। প্রযোজ্য সারচার্জের হার ব্যবহৃত পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে