
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলা শুরুর পর থেকে এটি ছিল সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ। তবে এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে বাগদাদেই ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর এক ঘাঁটিতেও পালটা হামলা হয়েছে, যেখানে নিহত হয়েছেন অন্তত চারজন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে বাগদাদের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ওই এলাকায় সরকারি ভবন ও বিদেশি দূতাবাসগুলো অবস্থিত।
একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, তিনটি ড্রোন ও চারটি রকেট দিয়ে দূতাবাসে হামলা করা হয়। এর মধ্যে অন্তত একটি ড্রোন ভেতরে গিয়ে আঘাত হেনেছে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে বলেন, তিনি অন্তত তিনটি ড্রোনকে মার্কিন দূতাবাসের দিকে উড়তে দেখেছেন। এর মধ্যে দুটি ভূপাতিত করা হয়েছে, একটি দূতাবাস চত্বরে আঘাত হানে।
এই হামলার প্রায় ছয় ঘণ্টা আগে ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে দূতাবাস। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বাগদাদের আন্তর্জাতিক এলাকায় একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। আরও হামলা হতে পারে।
এর আগে সোমবার একই গ্রিন জোনে একটি বিলাসবহুল হোটেলে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ওই হোটেলটিতে আগুন লেগে যায়। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওই হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তারা অবস্থান করেন।
এদিকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কিছুক্ষণ পরই বাগদাদের জাদরিয়া জেলায় ইরানপন্থি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) সদর দপ্তরে বিমান হামলা চালানো হয়। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। ভবনটিতে ইরানি উপদেষ্টারা অবস্থান করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা শুরুর পরপরই মার্কিন ঘাঁটি থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর মতো ইরাকেও হামলা করে ইরান। তখন থেকেই সেখানে হামলা-পালটা হামলা চলছে। এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে তেল খাতেও। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দেশটি তেল রপ্তানি করতে পারছে না।
ইরাকের তেলমন্ত্রী হায়ান আব্দুল-গনি জানিয়েছেন, চলমান পরিস্থিতিতে সংকট থেকে উত্তরণে কিরকুক থেকে তুরস্ক পর্যন্ত তেল পাইপলাইনটি এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় সচল করা হবে। এতে হরমুজ প্রণালির কারণে স্থগিত হওয়া তেল রপ্তানি আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলা শুরুর পর থেকে এটি ছিল সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ। তবে এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে বাগদাদেই ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর এক ঘাঁটিতেও পালটা হামলা হয়েছে, যেখানে নিহত হয়েছেন অন্তত চারজন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে বাগদাদের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ওই এলাকায় সরকারি ভবন ও বিদেশি দূতাবাসগুলো অবস্থিত।
একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, তিনটি ড্রোন ও চারটি রকেট দিয়ে দূতাবাসে হামলা করা হয়। এর মধ্যে অন্তত একটি ড্রোন ভেতরে গিয়ে আঘাত হেনেছে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে বলেন, তিনি অন্তত তিনটি ড্রোনকে মার্কিন দূতাবাসের দিকে উড়তে দেখেছেন। এর মধ্যে দুটি ভূপাতিত করা হয়েছে, একটি দূতাবাস চত্বরে আঘাত হানে।
এই হামলার প্রায় ছয় ঘণ্টা আগে ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে দূতাবাস। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বাগদাদের আন্তর্জাতিক এলাকায় একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। আরও হামলা হতে পারে।
এর আগে সোমবার একই গ্রিন জোনে একটি বিলাসবহুল হোটেলে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ওই হোটেলটিতে আগুন লেগে যায়। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওই হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তারা অবস্থান করেন।
এদিকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কিছুক্ষণ পরই বাগদাদের জাদরিয়া জেলায় ইরানপন্থি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) সদর দপ্তরে বিমান হামলা চালানো হয়। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। ভবনটিতে ইরানি উপদেষ্টারা অবস্থান করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা শুরুর পরপরই মার্কিন ঘাঁটি থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর মতো ইরাকেও হামলা করে ইরান। তখন থেকেই সেখানে হামলা-পালটা হামলা চলছে। এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে তেল খাতেও। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দেশটি তেল রপ্তানি করতে পারছে না।
ইরাকের তেলমন্ত্রী হায়ান আব্দুল-গনি জানিয়েছেন, চলমান পরিস্থিতিতে সংকট থেকে উত্তরণে কিরকুক থেকে তুরস্ক পর্যন্ত তেল পাইপলাইনটি এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় সচল করা হবে। এতে হরমুজ প্রণালির কারণে স্থগিত হওয়া তেল রপ্তানি আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

ইরান এমন কিছু শর্তে অনড় অবস্থান নিয়েছে, যেগুলোকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আবর্জনা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায়’ রয়েছে। এতে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আশা কার্যত আরও ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
একইসঙ্গে ইরান, গাজা ও লেবাননের সঙ্গে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের জন্য সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ইসরায়েলিরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু প্রশাসন দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক বার্তায় ডেমোক্র্যাট এই নেতা সাফ জানিয়ে দেন, এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো যুদ্ধ শেষ করা। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, রিপাবলিকানরা যদি এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ট্রাম্পের এই যুদ্ধের দায়ভার তাদেরই বহন করতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র
৯ ঘণ্টা আগে