
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে তার ‘কঠোর ও ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, "ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সম্ভাব্য হামলার জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো আগ্রাসন বা নিষ্ঠুরতার জবাব দেওয়া হবে দৃঢ় ও ধ্বংসাত্মকভাবে।"
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষ ইরানের সামরিক বাহিনী, সরকার ও জনগণের মধ্যে ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা করছে। সামরিক সংঘাতে একের পর এক ব্যর্থতার পর শত্রু এখন জনগণ ও নেতৃত্বের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাই দেশটির জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার শক্ত ভিত্তি।
পূর্ববর্তী সংঘাতগুলোর প্রসঙ্গ টেনে এই ইরানি সামরিক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, এবার কোনো ভুল করলে যুক্তরাষ্ট্রকে আগের তুলনায় আরও ‘বেশি মূল্য’ দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বিমান হামলা ইরানের এই হুঁশিয়ারির ঠিক আগেই শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বিমান হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। মূলত জর্ডানে এক হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিশোধমূলক অভিযান চালায় বলে জানানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই হামলা শুরু হয়। সেন্টকমের দাবি, এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা কমিয়ে আনা এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলাকারী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
এদিকে ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহের জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলাটি দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকার কাছাকাছি স্থানে হয়েছে। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে তার ‘কঠোর ও ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, "ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সম্ভাব্য হামলার জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো আগ্রাসন বা নিষ্ঠুরতার জবাব দেওয়া হবে দৃঢ় ও ধ্বংসাত্মকভাবে।"
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষ ইরানের সামরিক বাহিনী, সরকার ও জনগণের মধ্যে ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা করছে। সামরিক সংঘাতে একের পর এক ব্যর্থতার পর শত্রু এখন জনগণ ও নেতৃত্বের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাই দেশটির জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার শক্ত ভিত্তি।
পূর্ববর্তী সংঘাতগুলোর প্রসঙ্গ টেনে এই ইরানি সামরিক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, এবার কোনো ভুল করলে যুক্তরাষ্ট্রকে আগের তুলনায় আরও ‘বেশি মূল্য’ দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বিমান হামলা ইরানের এই হুঁশিয়ারির ঠিক আগেই শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বিমান হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। মূলত জর্ডানে এক হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিশোধমূলক অভিযান চালায় বলে জানানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই হামলা শুরু হয়। সেন্টকমের দাবি, এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা কমিয়ে আনা এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলাকারী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
এদিকে ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহের জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলাটি দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকার কাছাকাছি স্থানে হয়েছে। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
৮ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১২ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৩ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১৬ ঘণ্টা আগে