
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাজ্য জুড়ে পদ্ম ফুলের জোয়ারে জোড়া ফুলের সিংহাসন টলে গেছে। পতন কেবল সময়ের ব্যাপার। এর মধ্যেও ভবানীপুরে নিজ আসনে ১৫ রাউন্ড পর্যন্ত ভোটে এগিয়ে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ষষ্ঠদশ রাউন্ড শেষে নিজ আসনেও পিছিয়ে পড়লেন তিনি। এগিয়ে গেলেন রাজ্যে বিরোধী দলীয় নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।
আনন্দবাজার ও এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের ষষ্ঠদশ রাউন্ডের ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
এ বাউন্ডের ফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, পদ্মফুলের প্রার্থী শুভেন্দু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮৬ ভোট। অন্যদিকে জোড়া ফুলের মমতা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৩২ ভোট। সে হিসাবে মমতার চেয়ে ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে গেছেন শুভেন্দু।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিশেষভাবে সবার দৃষ্টি ছিল ভবানীপুরের দিকে। কারণ এ আসনে ভোটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ও বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এর আগে কখনো এক আসনে মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলী নেতা মুখোমুখি হননি।
সকালে থেকেই এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছিল। প্রথমেই পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন মমতা। পরে তিনি ১ হাজার ৫৫৮ ভোটে ভোটে পিছিয়ে পড়েন। শুভেন্দু এগিয়ে যান।
তৃতীয় রাউন্ড শেষে ফের মমতা এগিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি ক্রমেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। একপর্যায়ে ১৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে যান মমতা। এরপর থেকেই ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। ষষ্ঠদশ রাউন্ডে এসে শেষ পর্যন্ত মমতাকে পেছনে ফেলতে সমর্থ হলেন তিনি।
এ আসনে এখনো ভোট গণনা চলছে। গত কয়েক রাউন্ডের ফলাফলের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শুভেন্দুই শেষ হাসি হাসতে পারেন ভবানীপুরে।
এদিকে শুভেন্দুকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলেও গোটা রাজ্য মিলিয়ে বিজেপির পরীক্ষা এতটা কঠিন মনে হচ্ছে না। শুরুর দিকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিললেও শেষ পর্যন্ত বিজেপি বড় ব্যবধানেই রাজ্য সরকার গঠন করবে বলে মনে হচ্ছে।
সবশেষ খবর বলছে, ২৯৩টি আসনের মধ্যে এরই মধ্যে ১৪৬টি আসনে বিজেপিকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আরও ৬৩টি আসনে তারা এগিয়ে রয়েছে। বিপরীতে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৫৩টি আসনে।
হিসাব বলছে, আর একটিমাত্র আসনে জয় পেলেই বিজেপি শিবির চূড়ান্ত উল্লাসে মেতে উঠতে পারবে। আর ভোটের যে প্রবণতা, তাতে দুই শতাধিক আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই হয়তো উঠবে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলটির হাতে।

রাজ্য জুড়ে পদ্ম ফুলের জোয়ারে জোড়া ফুলের সিংহাসন টলে গেছে। পতন কেবল সময়ের ব্যাপার। এর মধ্যেও ভবানীপুরে নিজ আসনে ১৫ রাউন্ড পর্যন্ত ভোটে এগিয়ে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ষষ্ঠদশ রাউন্ড শেষে নিজ আসনেও পিছিয়ে পড়লেন তিনি। এগিয়ে গেলেন রাজ্যে বিরোধী দলীয় নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।
আনন্দবাজার ও এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের ষষ্ঠদশ রাউন্ডের ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
এ বাউন্ডের ফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, পদ্মফুলের প্রার্থী শুভেন্দু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮৬ ভোট। অন্যদিকে জোড়া ফুলের মমতা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৩২ ভোট। সে হিসাবে মমতার চেয়ে ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে গেছেন শুভেন্দু।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিশেষভাবে সবার দৃষ্টি ছিল ভবানীপুরের দিকে। কারণ এ আসনে ভোটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ও বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এর আগে কখনো এক আসনে মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলী নেতা মুখোমুখি হননি।
সকালে থেকেই এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছিল। প্রথমেই পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন মমতা। পরে তিনি ১ হাজার ৫৫৮ ভোটে ভোটে পিছিয়ে পড়েন। শুভেন্দু এগিয়ে যান।
তৃতীয় রাউন্ড শেষে ফের মমতা এগিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি ক্রমেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। একপর্যায়ে ১৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে যান মমতা। এরপর থেকেই ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। ষষ্ঠদশ রাউন্ডে এসে শেষ পর্যন্ত মমতাকে পেছনে ফেলতে সমর্থ হলেন তিনি।
এ আসনে এখনো ভোট গণনা চলছে। গত কয়েক রাউন্ডের ফলাফলের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শুভেন্দুই শেষ হাসি হাসতে পারেন ভবানীপুরে।
এদিকে শুভেন্দুকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলেও গোটা রাজ্য মিলিয়ে বিজেপির পরীক্ষা এতটা কঠিন মনে হচ্ছে না। শুরুর দিকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিললেও শেষ পর্যন্ত বিজেপি বড় ব্যবধানেই রাজ্য সরকার গঠন করবে বলে মনে হচ্ছে।
সবশেষ খবর বলছে, ২৯৩টি আসনের মধ্যে এরই মধ্যে ১৪৬টি আসনে বিজেপিকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আরও ৬৩টি আসনে তারা এগিয়ে রয়েছে। বিপরীতে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৫৩টি আসনে।
হিসাব বলছে, আর একটিমাত্র আসনে জয় পেলেই বিজেপি শিবির চূড়ান্ত উল্লাসে মেতে উঠতে পারবে। আর ভোটের যে প্রবণতা, তাতে দুই শতাধিক আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই হয়তো উঠবে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলটির হাতে।

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।
১৯ ঘণ্টা আগে
সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও
২১ ঘণ্টা আগে
ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ
১ দিন আগে