
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা লঙ্ঘন করে আবারো রক্তাক্ত হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। উত্তর ও দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন হামলা ও গুলিবর্ষণে দুই কিশোরসহ অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবারের এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
চিকিৎসা সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ১৪ ও ১৫ বছর বয়সি দুই কিশোর প্রাণ হারায়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী যেসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনারা সরে গিয়েছিল, সেখানে আবারও বোমা হামলা চালানো হয়। এছাড়া খান ইউনিস ও জাবালিয়াতেও হামলা অব্যাহত রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আনাদোলুকে জানান, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলি সেনারা যে এলাকা থেকে সরে গিয়েছিল, সেই এলাকাতেই ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ওই দুই কিশোর প্রাণ হারায়।
এর আগে উত্তর গাজার জাবালিয়া শহরের ওল্ড গাজা স্ট্রিটে ইসরায়েলি হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হন বলে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা বিভাগের এক সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছে।
অন্য এক ঘটনায় উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ার আল-সালাতিন এলাকায় ইসরায়েলি গুলিতে এক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আল-নাজ্জার এলাকায় ইসরাইলি হামলায় এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্রগুলো জানিয়েছে।
এছাড়া শনিবার সকালে দক্ষিণ গাজার মধ্যাঞ্চলীয় খান ইউনিসে ইসরায়েলি গুলিতে এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তির মাথায় আঘাত লাগে বলে একটি চিকিৎসা সূত্র জানায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শহরের কেন্দ্রস্থলে জাসের বিল্ডিং মোড়ে একটি ইসরায়েলি কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে গুলি চালানোর পর এই ঘটনা ঘটে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চালানো ভয়াবহ আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই অভিযানে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ এবং গাজা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরাইল এখনও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এসব হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৮১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ হাজার ৩১৩ জন আহত হয়েছেন।

গাজায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা লঙ্ঘন করে আবারো রক্তাক্ত হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। উত্তর ও দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন হামলা ও গুলিবর্ষণে দুই কিশোরসহ অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবারের এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
চিকিৎসা সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ১৪ ও ১৫ বছর বয়সি দুই কিশোর প্রাণ হারায়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী যেসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনারা সরে গিয়েছিল, সেখানে আবারও বোমা হামলা চালানো হয়। এছাড়া খান ইউনিস ও জাবালিয়াতেও হামলা অব্যাহত রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আনাদোলুকে জানান, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলি সেনারা যে এলাকা থেকে সরে গিয়েছিল, সেই এলাকাতেই ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ওই দুই কিশোর প্রাণ হারায়।
এর আগে উত্তর গাজার জাবালিয়া শহরের ওল্ড গাজা স্ট্রিটে ইসরায়েলি হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হন বলে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা বিভাগের এক সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছে।
অন্য এক ঘটনায় উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ার আল-সালাতিন এলাকায় ইসরায়েলি গুলিতে এক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আল-নাজ্জার এলাকায় ইসরাইলি হামলায় এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্রগুলো জানিয়েছে।
এছাড়া শনিবার সকালে দক্ষিণ গাজার মধ্যাঞ্চলীয় খান ইউনিসে ইসরায়েলি গুলিতে এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তির মাথায় আঘাত লাগে বলে একটি চিকিৎসা সূত্র জানায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শহরের কেন্দ্রস্থলে জাসের বিল্ডিং মোড়ে একটি ইসরায়েলি কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে গুলি চালানোর পর এই ঘটনা ঘটে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চালানো ভয়াবহ আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই অভিযানে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ এবং গাজা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরাইল এখনও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এসব হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৮১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ হাজার ৩১৩ জন আহত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে