আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, ভাঙচুর, জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। পদযাত্রা শেষে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে ভারতীয় হাইকমিশনে একটি স্মা
আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, ভাঙচুর, জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধাঁনোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে পদযাত্রায় যোগ দিতে নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, ভাঙচুর, জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যৌথভাবে পদযাত্রা করবে। রোববার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই কর্মসূচি
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে তারা ভারতের আগরতলা অভিমুখে ‘লংমার্চ’ করার চিন্তা করছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ শনিবার রাতে তিন সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানে
তারেক রহমান বলেন, ৩১ দফায় জনগণের সমর্থন নেওয়া, আস্থা অর্জন ও ধরে রাখার দায়িত্ব আমার আপনার আপনাদের সকলের। জনগণকে আস্থায় রাখতে হলে সকলকে নিয়ে কাজ করতে হবে। আপনারা সকলে যে যার অবস্থান থেকে কাজ করবেন। আপনারা প্রত্যেকে বিএনপির নেতা, অ্যাম্বাসেডর, বিএনপির প্রতিনিধি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আমরা ভারতের সাথে মর্যাদাপূর্ণ বন্ধুত্ব চাই। অন্তর্বর্তী সরকার যখন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে হাঁটছে, তখন পতিত স্বৈরাচারী হাসিনার জন্য ভারত বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে। এই অপচেষ্টা এবং ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, অন্তর্বতীকালীন সরকারের কমিটমেন্ট ছিল বৈষম্যবিরোধী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। তবে সংস্কারের উসিলা দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্ষমতায় থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তাই সর্বপ্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সংস্কার করা।
শেখ হাসিনাকে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে চায় ভারত- বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, খুনি শেখ হাসিনার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সবাই মায়াকান্না করছে।
সিংড়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনুর সভাপতিত্বে দুলু বলেন, আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসন আমলের চাইতে দেশের হিন্দুরা এখন অনেক ভালো আছে, শান্তিতে আছে। শেখ হাসিনা জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ওপরে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে প্রায় দুই হাজার মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
টাঙ্গাইল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরো বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এখনো দেশে বিরাজমান। ফ্যাসিবাদের চক্রান্ত থেমে নেই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার সরকার ছাত্র জনতার আন্দোলনে পালিয়ে গেছে। অবৈধভাবে একটি দেশে আশ্রয় নিয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য তারা সেখান (ভারত) থেকে ষড়যন্ত্র করছে। আজকে ছোট খাটো বিষয় নিয়েও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য যতরকমের ষড়যন্ত্র
কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপির পরিচয়েই আমরা বেঁচে থাকতে চাই। বিগত দিনে ১৭টি বছর আপনারা অনেকেই নির্যাতিত, নিপীড়ন ভোগ করেছেন।আজকে সেই নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে আমাদের। ক্ষমতায় থাকার সময় একটি দল থাকে, কিন্তু কর্মীরা সারাজীবন দলের সঙ্গ
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত হঠাৎ করেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, যারা এমন আধিপত্যবাদী মানসিকতা পোষণ করে তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই না। ভারত যদি তাদের আচরণ পরিবর্তন না করে তাহলে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে সংস্কারের কথা বলছেন খুব ভালো কথা। সংস্কার তো লাগবেই। কিছু মনে করবেন না, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দেই, আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত না নিজেরা নিজেদের সংস্কার না করবো, ততক্ষণ কোনো সংস্কারই কাজে আসবে না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করায় উগ্রবাদীরা উৎসাহ পাচ্ছে।
ভারতীয় শাড়ি রাস্তায় ছুড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আসামের বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও ভারতের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে তিনি এ প্রতিক্রিয়া দেখান।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ডিসেম্বর মাসে লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শান্তিশৃঙ্খলার জন্য স্বাধীনতা পেয়েছে। আজকের এই বিজয়ের মাসে আমাদের সবার প্রত্যয় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তা করা।