৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সমসাময়িক কালে আমরা বেশ কয়েকটি বিপ্লব দেখেছি। একটা দেখেছি শ্রীলঙ্কায়, ইরাকে, মিশরে। এ ধরনের গণঅভ্যুত্থানের পর যেখানে পুলিশ থাকে না সেখানে বিশৃঙ্খলা হওয়াটা স্বাভাবিক।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) কমিশন প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাব তুলে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এ উদ্দেশে সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আল দুহাইলান সোমবার রাত ৮টার দিকে বেগম জিয়ার বাসভবনে আসেন।
সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির কোনো বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সংস্কার আগে, নাকি নির্বাচন — এমন প্রশ্ন তুলে কেউ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু বিএনপি মনে করে, সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া।
মেজর হাফিজ বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা বিশ্বাস করি সরকার আগামী ছয় মাসের মধ্যে জাতিকে একটি নির্বাচন উপহার দেবে। সেই নির্বাচনে যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন আমরা তাদের সাদরে গ্রহণ করব। সেখানে সবার ভোটের অধিকার থাকবে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার থাকবে।
আমীর খসরু বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তুরস্ক কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়াও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন মূল্যের ব্যবসা আছে। এটিকে তারা কিভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সেখানেও কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু প্রতিহিংসার কোনো সুযোগ নেই। ছাত্রদের আহবানে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি এবং হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তিনি পালিয়ে গিয়ে এখন আবার ষড়যন্ত্রের লিপ্ত।
রিজভী আহমেদ বলেন, পেছনের শিক্ষা আছে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে ধ্বংস করতে হয়। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা। তাদের নিজস্ব ক্ষমতা আছে। নির্বাহী বিভাগের আদেশ না শোনার অধিকার তাদের আছে। কাজেই আমরা নির্বাচন ব্যবস্থার ধ্বংস চাই না। আমরা চাই জনগণের অংশগ্রহণমূলক একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে পুরোনোর দিনের একটি গান বলতে চাই। এই পথ চলা যদি শেষ না হয় তবে কেমন হত তুমি বলো তো? উল্টো দিকে তুমি বলো। আমি প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, এই পথ চলা যদি শেষ না হয় তবে কেমন হবে আপনি বলুন, আপনি ভাবুন, আপনি উত্তর দিন।
তিনি আরও বলেন, এখন দেশে দ্বিতীয় বিপ্লব, দ্বিতীয় স্বাধীনতা চলছে। ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন ভবিষ্যৎ ও নতুন বাংলাদেশ দেখতে পাচ্ছি। নতুন বাংলাদেশের কারিগর হলো- এই শিক্ষক ও ছাত্ররা। আমরা সবাই নতুন বাংলাদেশ গঠনে উঠে পড়ে লেগেছি। এটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে শহীদদের আম
সমাবেশে হালুয়াঘাট উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আবু হাসনাত বদরুল কবির, আলমগীর আলম বিপ্লব, সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, আবদুল হাই, মোনায়েম হোসেন খান খোকন, শহীদুল হক খান সুজন, জেলা যুবদলের সহসভাপতি আ. আজিজ খান, জেলা মহিলা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পতিত স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে। কিন্তু তারা তো বসে নেই। তারা সবসময় ষড়যন্ত্র করছে। যদি তাদের ষড়যন্ত্র সফল হয় তাহলে আপনাদের সবার নামে যে মামলা আছে- তা তো উঠবেই না বরং জ্যামিতিকহারে বেড়ে যাবে। সেই সম্ভাবনা (স্বৈরাচার সফল হওয়া) কিন্তু আছে। তবে সেই সম্ভাবনা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,বলেছেন আওয়ামী লীগ কখনো গণতান্ত্রিক দল ছিল না। তারা ফ্যাসিবাদী দল। ১৯৭২-১৯৭৫ সালে ফ্যাসিবাদের জন্ম দেন শেখ মুজিব। এ দেশে ফ্যাসিবাদের জনক শেখ মুজিবুর রহমান। শনিবার (২৩ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল ময়দানে বিএনপির একটি সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন নির্বাচন যত দেরি হবে, ষড়যন্ত্র তত বাড়বে। সাবেক স্বৈরাচার দেশি-বিদেশি প্রভুদের সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করেই চলেছে। বিএনপির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সম্মেলন-২০২৪ এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তারেক রহমান।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভ বলেছেন, জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, শিশু, কিশোর, তরুণ কাউকে রেহাই দেয়নি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার। নাফিজরা বাংলাদেশকে মুক্ত বাতাস উপহার দিয়ে গেছেন। একজন ব্যক্তি জোর করে ক্ষমতায় থাকতে নিরপরাধ কাউকে ছাড় দেননি।
অন্তর্বর্তী সরকারকে জুলাই বিপ্লবে হতাহতদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘আমি এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ কয়েকদিন আগে পঙ্গু হাসপাতালে গিয়েছিলাম। দেখলাম এখনো অনেকেই হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। কারও পিঠের চামড়া খুলে গেছে, কারও পা নেই, কেউ কেউ অন্ধ হয়ে গেছ