ঐক্যে জোর দিয়ে ফখরুল বলেন, এই মুহূর্তে ঐক্য অত্যন্ত প্রয়োজন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো নিরসন করা। বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দলের ৩১দফা বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
দুলু আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ তাদের দোসরদের সব ষড়যন্ত্র সর্ম্পকে দেশের মানুষকে সজাগ থাকতে হবে। গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ তাদের দোসররা যে জুলুম-দুঃশাসন চালিয়েছে তা ভুলে গেলে চলবে না।’
তিনি বলেন, আজকে যে জনপদের পর জনপদে যে অসন্তোষ পরিস্থিতি তৈরি হয়ে আছে সেটা শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ফসল। এ দুঃশাসনের বিকৃত ফসলের মূল উৎপাটন করে আমাদের সমাজকে পবিত্র সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল একটি অগ্রগণ্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কাজ করবে এ প্রত্যাশা আমি করছি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের জন্য একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী দিনের সব প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, নারী নিপীড়ন, হয়রানি ও ধর্ষণের ঘটনা সারা দেশে ঘটে চলেছে। এটা উদ্বেগজনক। এই ধর্ষণ, নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালিয়ে, পরে ১২ ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মামলা এবং গভীর রাতে ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতিকে তার নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার তীব্র নিন্দা জান
বিএনপি সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা এটুকু বলতে পারি, আমরা সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ৩১ দফা দাবি অনেক আগে দিয়েছি, যখন এই সংস্কারের কথা কেউ বলেনি। সেই সংস্কারগুলোর সঙ্গে আজকের যে প্রস্তাব উঠে আসছে সেখানে খুব বেশি পার্থক্য দেখছি না।
বিএনপি ছাড়া অন্য যে দলগুলো বৈঠকে অংশ নেয় সেগুলো হলো— জামায়াতে ইসলামী, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনকে হাজার হাজার মানুষ সহায়তা করেছে শুধুমাত্র একটি কারণে। সেটি হলো নির্বাচন। শেখ হাসিনা যে নির্বাচন শব্দটি বাংলাদেশ থেকে মুছে দিয়েছে, সেই নির্বাচনের জন্য জীবন দিয়েছে খোকন মুগ্ধরা। এখন নির্বাচন নিয়ে আপনারা নতুন দল করে আবার বলেন গণপরিষদ।
বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বিএনপি। শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে দলটির একটি প্রতিনিধি দল আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
রিজভী বলেন, বিগত ১৬ বছর দুঃশাসনে আমাদের অতিপরিচিত শান্তি ও সুস্থময় পরিপাশ্বর্কে বিকৃত করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের সামাজিক সংহতিকে বিনষ্ট করা হয়েছে। দুর্বৃত্তায়নের ব্যাপক প্রসার ঘটিয়ে সমাজকে পচা গলিত দুর্গন্ধময় করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যের জমি দখল, লুট, টাকা পাচারের মহাউৎসবের মধ্য দিয়ে নিজের সি
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মাগুরার সেই শিশুর মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না । এ মৃত্যু ঘটনা সারা দেশের মানুষকে লজ্জিত করেছে। আমরা দেখছি পবিত্র মাহে রমজান মাসেও ধর্ষণের ঘটনা থামছে না। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের ওপর চলমান নিপীড়ন, হেনস্তাকরণ ও ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য কাজ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গোলমাল শুরু করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
আমীর খসরু বলেন, ‘একটি মুক্ত বাংলাদেশে স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করে আমরা গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে চলছি। এই সময় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিায় মিডিয়ার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তারা মিডিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তারা বিভিন্নভাবে মিডিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। সাংবাদি
সব দলের নিজস্ব প্রস্তাবনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু সংস্কার, নির্বাচনী ব্যবস্থা বা নির্বাচন নয়, মানুষের জন্য স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বাজার ব্যবস্হা ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সব দলের নিজস্ব প্রস্তাবনা দেওয়া প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, জিয়াউর রহমানের রাজনীতি ধারণ করতে পারলে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা পাবে। এই রাজনীতিকে ধারণ করতে হলে, যারা এই রাজনীতির রূপ প্রকল্পের প্রবক্তা, তাদের আমাদের স্মরণ রাখতে হবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে ধর্ষণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নেই। শেখ হাসিনার আমল থেকেই নারীরা নির্যাতিত হয়েছিলেন। এখন তো ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেই, তাহলে কারা এই হিংস্রতার সঙ্গে জড়িত। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তা জানতে চাই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকের শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন তাদের ছাত্রদের সামনে, তাদের দাবি আদায়ের জন্য। কারণ শিক্ষকরা যাদের কাছে দাবি আদায়ের জন্য অনুরোধ করছেন, তারাই একদিন এই শিক্ষকদের ছাত্র ছিলেন। তাহলে কেন আজকে শিক্ষকদের তাদের ছাত্রদের সামনে অসহায়ের মতো হাত জড়ো করতে হচ্ছে।