বিএসইসির চেয়ারম্যান গত মঙ্গলবার বিকালে ক্যাপিটাল গেইনের ওপর ট্যাক্স আরোপ না হওয়ার বিষয়টি পরিষ্কার করলে সপ্তাহের শেষ কার্য দিবস বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরু থেকে বাজার ইতিবাচক প্রবণতায় অগ্রসর হয়। যা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি চলতি (২০২৩-২৪) হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ২ টাকা ২২ পয়সা। এ আয় আগের হিসাব বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮৩ পয়সা বা ৫৯ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৩৯ পয়সা।
নিরীক্ষা প্রতিবেদন বলছে, কোম্পানির দায়দেনা ও লোকসান বেড়েছে। শেয়ারবাজারে জেড ক্যাটাগরিতে লেনদেন। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে পারছে না।
দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারকে অস্থিতিশীল করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন, ভুয়া ও অসত্য তথা এবং গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের এই মর্মে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, যে বা যারা ভুয়া ও অসত্য তথ্য বা গুজব প্রকাশ বা প্রচারে জড়িত রয়েছেন কিংবা আগামীতে জড়িত থাকবেন তাদের সকলের বিরুদ্ধে ত্বরিত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্
গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর মন্দা ও প্রায় স্থবির থাকা শেয়ারবাজার চাঙ্গা হবে, এমন আশায় ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন আশরাফুজ্জামান। বৃহস্পতিবার তিনি রাজনীতি ডট কমকে বলেন, গত তিন মাসে তার পুঁজি এখন সাত লাখ টাকারও কম।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বলেন, শেয়ারবাজারে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে বড় ধরনের দুটি ধস হয়েছে। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে বাজারে যে ধস নেমেছে, তা অতীতের দুই ধসকে হার মানিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যর্থতায় এটা হচ্ছে।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে অনাদায়ী ক্ষতির বিপরীতে প্রভিশন রাখার সুযোগ প্রথমে দেয়া হয় ২০১৩ সালে। সে সময় বিএসইসি থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এখন পুনর্মূল্যায়নজনিত ক্ষতির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী শতভাগের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে পারবে। তবে তা ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে
নির্দেশনা বলা হয়েছে, একদিনে কোনো কোম্পানির শেয়ারের মূল্য সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারবে। এরচেয়ে কম মূল্যে কেউ শেয়ার বিক্রি বা কিনতে পারবে না। তবে মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আগের সীমা-ই বহাল আছে। শেয়ারের আগের দিনের বাজার মূল্যের আলোকে পরদিন মূল্য সর্বনিম্ন ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার (২১ এপ্রিল) দিনের শুরু হয়েছিল বড় উত্থান প্রবণতা দিয়ে। কিন্তু সেই উত্থান পরে বড় পতনে রূপ নেয়, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ মঙ্গলবার মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বিক্রির চাপে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। বুধবার (২৭ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭১ দশমিক ৭০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্টে।
অস্বাভাবিক এ মূল্যবৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে এরই মধ্যে কোম্পানিটিকে চিঠি দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণ তাদের জানা নেই।
এর আগে ২০২০ সালে আরও একবার ফ্লোর প্রাইস দিয়ে তা ২০২১ সালে তুলে নেয় বিএসইসি। তবে বিনিয়োগকারীদের পুঁজির সুরক্ষা দিতে এতো দীর্ঘ সময় ধরে ফ্লোর প্রাইস এর আগে দেখা যায়নি। এর ফলে গত প্রায়
একই সময়ে ব্লু চিপ সূচক ডিএস৩০ ১১ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১১৮-তে। এই সময় পর্যন্ত ২৪টির শেয়ার দাম বেড়েছে, ৩১৯টি কমেছে ও ২২টির দাম অপরিবর্তিত
যে ৩৫টি কোম্পানির ওপর ফ্লোর প্রাইস বহাল রাখা হয়েছে সেগুলো হলো-আনোয়ার গ্যালভ্যানাইজিং, বারাকা পাওয়ার, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বেক্সিমকো লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল, বিএসআরএম