এদিকে বন্যা দুর্গত ফেনীতে ৯০ শতাংশের বেশি সাইট অচল থাকলেও বর্তমানে তা ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। জেলার মোট ৬৫৩টি সাইটের মধ্যে ১২৯টি সচল হয়েছে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, বন্যার পানিতে ফেনীর ফাজিলপুর এলাকায় রেলপথ ডুবে যাওয়ায় ওই দিন দুপুর থেকে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা দমন-পীড়নের ৭ বছর আজ। দিনটিকে রোহিঙ্গারা কালো দিবস আখ্যা দিয়ে রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করেন।
ফেনীসহ দেশের ১০ টির বেশি জেলা বন্যার পানিতে এখনো ডুবে রয়েছে। সেখানে ব্যাপকভাবে বাসস্থান, খাবারসহ যোগাযোগ সংকট। সেই সঙ্গে কয়েক দিন ধরেই বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন। গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকটি জেলায় টেলিযোগাযোগ সেবা সচল করা হলেও ফেনী জেলার ৯০ শতাংশ টাওয়ারই এখনো অচল হয়ে রয়েছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় আজ শনিবার (২৪) রাত ১০টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি স্পিলওয়ের গেট খুলে দেওয়া হবে। এজন্য ভাটি অঞ্চলকে জরুরি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই সড়কে যাতায়াত করা যাত্রী ও চালকেরা।
ত্রাণ সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টিই আছে। ১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৪৯ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৮টি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বৃষ্টি থেমে যাওয়ায় কাচালং নদীর পাহাড়ি ঢলও কমে যায়। ফলে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের তলিয়ে যাওয়া তিন স্থানের পানি কমে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এরপর গত তিন দিনে আটকে পড়া ২৬০ জন পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে ডুবে গেছে সিম্বল অব রাঙামাটি খ্যাত পর্যটনের ঝুলন্ত সেতু। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে ঝুলন্ত সেতু দিয়ে পারাপারে সাময়িক সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক তলিয়ে গেছে। ফেনীর মহিপাল থেকে লালপুল পর্যন্ত এলাকায় রাস্তায় পানি থাকায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী জানান, বুধবার রাতে মাছ মারতে গিয়ে স্থানীয় একটি সেতুর নিচে তলিয়ে যান নাঙ্গলকোটের দাউদপুর এলাকার কেরামত আলী। প্রবল স্রোতে হারিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে তার ম
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ফেনী জেলা। ফেনীর রামগর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
খাগড়াছড়িতে চলতি সপ্তাহজুড়ে (শনিবার থেকে) টানা বর্ষণের পর বুধবার দুপুর নাগাদ অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে বানভাসি মানুষ দুর্যোগ কাটিয়ে উঠার বিষয়ে আশান্বিত হয়েছিলো। কিন্তু বুধবার রাতভর আকাশভাঙা ভারী বৃষ্টি এবং উজানের পানি নেমে প্লাবিত হয়েছে খাগড়াছড়ি শহরের নতুন নতুন এলাকাও। আবারোও নির্মাণাঅঞ্চল প্লাবিত
ফেনী ও কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ সব রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দুর্গতদের জন্য ১,৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে জানিয়ে দুর্যোগ মন্ত্রণালয় বলছে, এসব কেন্দ্রে ১৭ হাজার ৮৮২ জন আশ্রয় নিয়েছে। সেই সঙ্গে আশ্রয় পেয়েছে তিন হাজার ৪৮৬টি গবাদি পশু। বন্যা কবলিত ছয় জেলায় ৩০৯টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে।
কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা। উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ৮ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার ২০টি গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৩ হাজার পরিবার ও ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। এছাড়াও রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, ঘাগড়া-বড়াইছড়
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত ১৬ অগাস্ট থেকে বন্দর নগরীতে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে টানা ভারি বৃষ্টি চলছে। বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টির তীব্রতা আরো বাড়ে। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে তিন ঘণ্টায় ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল ৯টায় শুর