
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনামলে যারা গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তাদের পরিবারকে গেজেটভুক্ত করে সরকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বলেছেন, আলাদা একটি অধিদপ্তর করে এসব পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহায়তাও দেওয়া হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ-সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের গেজেটভুক্তি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দিয়েছে। সেখানে অনেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা আবার বঞ্চিতদের মূল্যায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। ফ্যাসিবাদী শক্তি মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বিএনপির অনেক লোককে বাদ দিয়েছে। আমরা তাদের মূল্যায়ন করব।
‘ফ্যাসিবাদী সরকার’ গ্যাস, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করে রেখে গেছে বলে মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। বলেন, বিরোধী দল পাঁচ মাস দেখেই বলছে, আমরা ব্যর্থ। অথচ ১৮ বছরের জঞ্জাল তো ১৮ বছরেও পরিষ্কার করা সম্ভব না। আজকের বিদুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকট এগুলো কি আমাদের তৈরি? এগুলো ফ্যাসিবাদী সরকারের তৈরি।
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে আহমেদ আযম খান বলেন, খালেদা জিয়া জীবদ্দশায় যেমন ইতিহাস ছিলেন, মৃত্যুর পরও ইতিহাস হয়ে আছেন। দেড় কোটির বেশি মানুষ তার জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন। এমন জনপ্রিয়তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। যতবার নির্বাচনে এসেছেন, তিনি ততবারই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আমরা যারা উনার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে কাজ করেছি, সবাই উনার কাছে মায়ের মতো ভালোবাসা পেয়েছি। আমার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে উনার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। উনি বলেছিলেন, ‘আলাল, তোমার মা মারা গেছে তুমি জেলে থাকতে, আমার মাও মারা গেছে আমি জেলে থাকতে।’ এ কথা শুনে আমার মন শান্ত হয়ে গেছিল। শোক ভুলে গিয়েছিলাম।
বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা ও সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ ও কৃষকদের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন।

আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনামলে যারা গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তাদের পরিবারকে গেজেটভুক্ত করে সরকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বলেছেন, আলাদা একটি অধিদপ্তর করে এসব পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহায়তাও দেওয়া হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ-সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের গেজেটভুক্তি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দিয়েছে। সেখানে অনেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা আবার বঞ্চিতদের মূল্যায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। ফ্যাসিবাদী শক্তি মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বিএনপির অনেক লোককে বাদ দিয়েছে। আমরা তাদের মূল্যায়ন করব।
‘ফ্যাসিবাদী সরকার’ গ্যাস, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করে রেখে গেছে বলে মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। বলেন, বিরোধী দল পাঁচ মাস দেখেই বলছে, আমরা ব্যর্থ। অথচ ১৮ বছরের জঞ্জাল তো ১৮ বছরেও পরিষ্কার করা সম্ভব না। আজকের বিদুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকট এগুলো কি আমাদের তৈরি? এগুলো ফ্যাসিবাদী সরকারের তৈরি।
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে আহমেদ আযম খান বলেন, খালেদা জিয়া জীবদ্দশায় যেমন ইতিহাস ছিলেন, মৃত্যুর পরও ইতিহাস হয়ে আছেন। দেড় কোটির বেশি মানুষ তার জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন। এমন জনপ্রিয়তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। যতবার নির্বাচনে এসেছেন, তিনি ততবারই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আমরা যারা উনার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে কাজ করেছি, সবাই উনার কাছে মায়ের মতো ভালোবাসা পেয়েছি। আমার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে উনার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। উনি বলেছিলেন, ‘আলাল, তোমার মা মারা গেছে তুমি জেলে থাকতে, আমার মাও মারা গেছে আমি জেলে থাকতে।’ এ কথা শুনে আমার মন শান্ত হয়ে গেছিল। শোক ভুলে গিয়েছিলাম।
বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা ও সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ ও কৃষকদের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন।

দেশের রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’র তকমা পাওয়া খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভোগার পর গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। ওই দিন ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮০
২০ ঘণ্টা আগে
৫১ বছর আগের সে রাতে শেখ মুজিবুর রহমান, তার স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্য এবং নিকটাত্মীয় ২৬ জনকে হত্যা করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ওই সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা তার বোনকে নিয়ে এখন ভারতে অবস্থান কর
২১ ঘণ্টা আগে
ঘোষণা অনুযায়ী, জন্মবার্ষিকীর দিন অর্থাৎ আগামী ১৫ আগস্ট শনিবার দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা ও মহানগরে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এর পরদিন ১৬ আগস্ট রবিবার সারা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
১ দিন আগে