
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

একের পর এক পুলিশি বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জ পৌঁছাতে পারেননি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বাহুবল উপজেলার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে জুলাই পদযাত্রায় হামলায় ঘটনায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে হবিগঞ্জ ছেড়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হবিগঞ্জের বাহুবলের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে এনসিপি নেতারা অভিযোগ দায়ের করেন। এ সময় পুলিশ ফাঁড়িতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং দুই মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রেস সেক্রেটারি নুর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এনসিপির পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেখানে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে।
অভিযোগ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেটি প্রসেসিংয়ের ভেতরেই আছে। এনসিপি নেতারা অভিযোগ দিয়ে মৌলভীবাজারের পথে রওনা হয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটে। এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ওই হামলায় জড়িত ছিল। তবে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের দাবি, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের জের ধরে সেখানে হামলা হয়েছে। হামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।
এ হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ পৌর শহরে বুধবার বিকেল ৩টায় সমাবেশ ঘোষণা করেছিল এনসিপি। একই সময়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল পালটা কর্মসূচি ঘোষণা করে। পালটাপালটি কর্মসূচির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।
১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জের কর্মসূচি পালন করতে রওয়ানা দিয়ে বুধবার এনসিপি নেতারা প্রথমেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। সেখানে প্রায় ঘণ্টাখানেক পুলিশের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে তারা হবিগঞ্জের পথে রওয়ানা দেন।
হবিগঞ্জ শহরে পৌঁছানোর আগেই মিরপুর এলাকায় ফের পুলিশ বাধা দেয় এনসিপি নেতাদের। সেখানে একপর্যায়ে নাহিদ-সারজিসসহ এনসিপি নেতারা রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান। দফায় দফায় বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত বাহুবলের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে অভিযোগ জানাতে হয় এনসিপি নেতাদের।
পথে এনসিপি নেতাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মাহমুদ বলেন, যেহেতু একটা উত্তেজনা ছিল, ১৪৪ ধারা জারি ছিল, তাই তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই পুলিশ কিছু জায়গায় বাধা দিয়েছে।
অভিযোগ দায়েরের পর রাত পৌনে ৯টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে চাইলে এবং শেখ হাসিনার সময়কার দলীয়করণ থেকে ইমেজ উদ্ধার করতে চাইলে অবশ্যই এ ঘটনার যথাযথ বিচার হতে হবে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করা হলে ধরে নেওয়া হবে, এখনো দেশে কিছু পরিমাণ হলেও ন্যায়বিচার আছে। আর না হলে ধরে নেওয়া হবে, এটি আবারও একটা মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
এনসিপি আহ্বয়ক আরও বলেন, এই সরকারও স্বৈরাচারের দেখানো পুরনো পথেই হাঁটছে। অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় থেকে তারা দেশকে নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তারা গণভোটের গণরায় মানে নাই। তারা স্বাধীন পুলিশ কমিশন করে নাই। অর্থাৎ তারা সন্ত্রাসনির্ভর একটি রাষ্ট্র তৈরি করতে চাচ্ছে। আগে যা ছিল, সেটাকেই তারা অব্যাহত রাখছে।

একের পর এক পুলিশি বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জ পৌঁছাতে পারেননি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বাহুবল উপজেলার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে জুলাই পদযাত্রায় হামলায় ঘটনায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে হবিগঞ্জ ছেড়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হবিগঞ্জের বাহুবলের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে এনসিপি নেতারা অভিযোগ দায়ের করেন। এ সময় পুলিশ ফাঁড়িতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং দুই মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রেস সেক্রেটারি নুর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এনসিপির পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেখানে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে।
অভিযোগ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেটি প্রসেসিংয়ের ভেতরেই আছে। এনসিপি নেতারা অভিযোগ দিয়ে মৌলভীবাজারের পথে রওনা হয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটে। এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ওই হামলায় জড়িত ছিল। তবে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের দাবি, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের জের ধরে সেখানে হামলা হয়েছে। হামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।
এ হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ পৌর শহরে বুধবার বিকেল ৩টায় সমাবেশ ঘোষণা করেছিল এনসিপি। একই সময়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল পালটা কর্মসূচি ঘোষণা করে। পালটাপালটি কর্মসূচির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।
১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জের কর্মসূচি পালন করতে রওয়ানা দিয়ে বুধবার এনসিপি নেতারা প্রথমেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। সেখানে প্রায় ঘণ্টাখানেক পুলিশের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে তারা হবিগঞ্জের পথে রওয়ানা দেন।
হবিগঞ্জ শহরে পৌঁছানোর আগেই মিরপুর এলাকায় ফের পুলিশ বাধা দেয় এনসিপি নেতাদের। সেখানে একপর্যায়ে নাহিদ-সারজিসসহ এনসিপি নেতারা রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান। দফায় দফায় বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত বাহুবলের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে অভিযোগ জানাতে হয় এনসিপি নেতাদের।
পথে এনসিপি নেতাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মাহমুদ বলেন, যেহেতু একটা উত্তেজনা ছিল, ১৪৪ ধারা জারি ছিল, তাই তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই পুলিশ কিছু জায়গায় বাধা দিয়েছে।
অভিযোগ দায়েরের পর রাত পৌনে ৯টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে চাইলে এবং শেখ হাসিনার সময়কার দলীয়করণ থেকে ইমেজ উদ্ধার করতে চাইলে অবশ্যই এ ঘটনার যথাযথ বিচার হতে হবে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করা হলে ধরে নেওয়া হবে, এখনো দেশে কিছু পরিমাণ হলেও ন্যায়বিচার আছে। আর না হলে ধরে নেওয়া হবে, এটি আবারও একটা মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
এনসিপি আহ্বয়ক আরও বলেন, এই সরকারও স্বৈরাচারের দেখানো পুরনো পথেই হাঁটছে। অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় থেকে তারা দেশকে নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তারা গণভোটের গণরায় মানে নাই। তারা স্বাধীন পুলিশ কমিশন করে নাই। অর্থাৎ তারা সন্ত্রাসনির্ভর একটি রাষ্ট্র তৈরি করতে চাচ্ছে। আগে যা ছিল, সেটাকেই তারা অব্যাহত রাখছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁ-১ আসনটি শূন্য হয়েছে। এ আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ২৯ অক্টোবর।
১৫ ঘণ্টা আগে
সকাল ৯টায় কাউন্সিলরদের নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাউন্সিলররা ভোট দেন। পরে বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে। তাই, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চায়। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্
১ দিন আগে
অতীতে নুসরাত, তনু ও খাদিজার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার কথা স্মরণ করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
১ দিন আগে