
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি মারা গেছেন। নির্বাচনি জনসংযোগের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদি সংকটাপন্ন অবস্থায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে হাদির মৃত্যুর খবর দিয়েছে তার সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।
ইনকিলাব মঞ্চ তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লিখেছে, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদীকে আল্লাহ শহিদ হিসেবে কবুল করেছেন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন করবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আপনারা দোয়া করুন, আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ওসমান হাদি পরিচিতির আলোয় আসেন মূলত জুলাই আন্দোলনের সময়। ওই সময় তিনি গড়ে তোলেন সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ, যার লক্ষ্য— ‘সমস্ত আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণ’।
শাহবাগে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহত ব্যক্তিদের স্বীকৃতির দাবিতে সমাবেশের মাধ্যমে ইনকিলাব মঞ্চের যাত্রা শুরু হয়। হাদি পরে যোগ দেন জাতীয় নাগরিক কমিটিতে। এই কমিটির বেশির ভাগ নেতা পরে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিলেও হাদি ইনকিলাব মঞ্চেই থেকে যান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ যখন চূড়ান্ত হওয়ার পথে, ওসমান হাদি আবারও আলোচনায় উঠে আসেন প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে। নিজের সংগঠন সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় সে ব্যানারে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ছিল না তার। তাই ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।
নির্বাচন সামনে রেখে জনসংযোগও চালিয়ে যাচ্ছিলেন হাদি। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোড এলাকায় জনসংযোগের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে তাকে পোস্ট-অপারেটিভ তথা অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পরিচর্যার জন্য স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তার চিকিৎসা চলছিল।
গত রোববার রাতে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর ও ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদিসহ অন্যদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে।
পরে গত সোমবার বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা চলছিল হাদির। তবে তার শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। সিঙ্গাপুরে নেওয়ার চার দিনের মাথায়ই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ওসমান হাদি।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি মারা গেছেন। নির্বাচনি জনসংযোগের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদি সংকটাপন্ন অবস্থায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে হাদির মৃত্যুর খবর দিয়েছে তার সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।
ইনকিলাব মঞ্চ তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লিখেছে, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদীকে আল্লাহ শহিদ হিসেবে কবুল করেছেন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন করবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আপনারা দোয়া করুন, আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ওসমান হাদি পরিচিতির আলোয় আসেন মূলত জুলাই আন্দোলনের সময়। ওই সময় তিনি গড়ে তোলেন সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ, যার লক্ষ্য— ‘সমস্ত আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণ’।
শাহবাগে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহত ব্যক্তিদের স্বীকৃতির দাবিতে সমাবেশের মাধ্যমে ইনকিলাব মঞ্চের যাত্রা শুরু হয়। হাদি পরে যোগ দেন জাতীয় নাগরিক কমিটিতে। এই কমিটির বেশির ভাগ নেতা পরে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিলেও হাদি ইনকিলাব মঞ্চেই থেকে যান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ যখন চূড়ান্ত হওয়ার পথে, ওসমান হাদি আবারও আলোচনায় উঠে আসেন প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে। নিজের সংগঠন সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় সে ব্যানারে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ছিল না তার। তাই ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।
নির্বাচন সামনে রেখে জনসংযোগও চালিয়ে যাচ্ছিলেন হাদি। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোড এলাকায় জনসংযোগের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে তাকে পোস্ট-অপারেটিভ তথা অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পরিচর্যার জন্য স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তার চিকিৎসা চলছিল।
গত রোববার রাতে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর ও ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদিসহ অন্যদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে।
পরে গত সোমবার বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা চলছিল হাদির। তবে তার শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। সিঙ্গাপুরে নেওয়ার চার দিনের মাথায়ই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ওসমান হাদি।

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।
২ দিন আগে
শারীরিক অবস্থা এখন কেমন— জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস বলেন, 'আছি মোটামুটি। এখনও চিকিৎসার মধ্যে আছি, থেরাপিউটিক সেশনগুলো চলছে। দেশবাসীকে আমার জন্য দোয়া করতে বলবেন। সবার কাছে আমি দোয়া চাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।'
৩ দিন আগে
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকরভাবে করারোপের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রস্তাবিত তামাক কর বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্জিত রাজস্ব দেশের স্বাস্থ্য খাত শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
৩ দিন আগে
ধর্মের নামে রাজনীতি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায় না মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যারা মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল, এদেশের মানুষ সেই স্বাধীনতাব
৩ দিন আগে