
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বর্তমানে তাকে নিয়মিত থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হলেই তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন।
দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন এই প্রবীণ রাজনীতিক আজ বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার তথ্য জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
শারীরিক অবস্থা এখন কেমন— জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস বলেন, 'আছি মোটামুটি। এখনও চিকিৎসার মধ্যে আছি, থেরাপিউটিক সেশনগুলো চলছে। দেশবাসীকে আমার জন্য দোয়া করতে বলবেন। সবার কাছে আমি দোয়া চাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।'
দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ভালো হলেই দেশে চলে আসব, সবাইকে জানাব আমি।' খাওয়া-দাওয়া ঠিকভাবে করতে পারছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'খাওয়া-দাওয়া ঠিক আছে আল্লাহর রহমতে।'
মির্জা আব্বাস যখন কথা বলছিলেন, তখন তার পাশে ছিলেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, 'উনি এখন অনেকটাই সুস্থ ও ভালো আছেন। বর্তমানে তাকে নিয়মিত থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। তিনি এখনও হাসপাতালেই আছেন।'
এর আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরের বাসায় ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে মির্জা আব্বাসকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিউরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড দ্রুত তার মস্তিষ্কে একটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ মার্চ তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে টানা এক মাস চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে পরবর্তী ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য গত ১৪ এপ্রিল তাকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বিশেষায়িত ‘প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে’ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বর্তমানে তাকে নিয়মিত থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হলেই তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন।
দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন এই প্রবীণ রাজনীতিক আজ বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার তথ্য জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
শারীরিক অবস্থা এখন কেমন— জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস বলেন, 'আছি মোটামুটি। এখনও চিকিৎসার মধ্যে আছি, থেরাপিউটিক সেশনগুলো চলছে। দেশবাসীকে আমার জন্য দোয়া করতে বলবেন। সবার কাছে আমি দোয়া চাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।'
দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ভালো হলেই দেশে চলে আসব, সবাইকে জানাব আমি।' খাওয়া-দাওয়া ঠিকভাবে করতে পারছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'খাওয়া-দাওয়া ঠিক আছে আল্লাহর রহমতে।'
মির্জা আব্বাস যখন কথা বলছিলেন, তখন তার পাশে ছিলেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, 'উনি এখন অনেকটাই সুস্থ ও ভালো আছেন। বর্তমানে তাকে নিয়মিত থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। তিনি এখনও হাসপাতালেই আছেন।'
এর আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরের বাসায় ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে মির্জা আব্বাসকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিউরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড দ্রুত তার মস্তিষ্কে একটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ মার্চ তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে টানা এক মাস চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে পরবর্তী ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য গত ১৪ এপ্রিল তাকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বিশেষায়িত ‘প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে’ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে