
বাসস

দেশবাসীর আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে এগিয়ে নিতে সৌদি আরবের কাছে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সৌদি আরবের প্রতি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য আমাদের গৃহীত উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করুন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আলদুহাইলান মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে এ কথা বলেন।
সৌদি আরব এবং দেশটির জনগণ বাংলাদেশের হৃদয়ের খুব কাছের উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি আরব সব সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ সৌদি আরব এবং দেশটির জনগণের মঙ্গল কামনা করেন, কারণ, তারা মক্কা ও মদীনার দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম।
তিনি সরকার প্রধান হিসেবে পুননির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের একটি অভিনন্দন বার্তা হস্তান্তর করেন।
বার্তায় যুবরাজ বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আটটি বিভাগে আটটি মসজিদ ও ইসলামী ভাষা ইন্সস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য তার দেশের ইচ্ছার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় একটি ইন্সস্টিটিউট স্থাপনের জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী দিনে হজ ও ওমরা হজের প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, সৌদি আরব ও বাংলাদেশ ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে সহযোগিতা বাড়াতে পারে।
রাষ্ট্রদূত অন্যান্য পেশাদারদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা কর্মীদেও নেয়ার ব্যাপারে তার দেশ আগ্রহ প্রকাশ করে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর এট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

দেশবাসীর আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে এগিয়ে নিতে সৌদি আরবের কাছে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সৌদি আরবের প্রতি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য আমাদের গৃহীত উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করুন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আলদুহাইলান মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে এ কথা বলেন।
সৌদি আরব এবং দেশটির জনগণ বাংলাদেশের হৃদয়ের খুব কাছের উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি আরব সব সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ সৌদি আরব এবং দেশটির জনগণের মঙ্গল কামনা করেন, কারণ, তারা মক্কা ও মদীনার দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম।
তিনি সরকার প্রধান হিসেবে পুননির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের একটি অভিনন্দন বার্তা হস্তান্তর করেন।
বার্তায় যুবরাজ বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আটটি বিভাগে আটটি মসজিদ ও ইসলামী ভাষা ইন্সস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য তার দেশের ইচ্ছার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় একটি ইন্সস্টিটিউট স্থাপনের জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী দিনে হজ ও ওমরা হজের প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, সৌদি আরব ও বাংলাদেশ ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে সহযোগিতা বাড়াতে পারে।
রাষ্ট্রদূত অন্যান্য পেশাদারদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা কর্মীদেও নেয়ার ব্যাপারে তার দেশ আগ্রহ প্রকাশ করে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর এট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে