
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাম্প্রতিক সময়ে দায়ের করা মামলাগুলোয় বিপুল সংখ্যক আসামি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এখন পুলিশ মামলা করছে না, করছে সাধারণ জনগণ। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে মতবিনিময় শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'আগে পুলিশ মামলা দিতো, এই সময়ে কোনো পুলিশ একটা মামলা দিয়েছে? আগে পুলিশ ১০ জনের নাম দিয়ে ১০০ জনের নাম দিতো অজ্ঞাত। আজ পর্যন্ত কিন্তু পুলিশ (মামলা) দিচ্ছে না। এটা কিন্তু সাধারণ পাবলিকরা দিচ্ছে।'
পুলিশ বাদী হয়ে এ রকম একটি মামলা করলে তাকে অবহিত করার অনুরোধ জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, 'সাধারণ জনগণকে বলতে হবে, যারা প্রকৃতপক্ষে অপরাধী তার বিরুদ্ধে মামলা করো।'
দুইজন বাদীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রকৃত অপরাধীকে ১১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। অথচ হওয়ার কথা এক নম্বর আসামি।
'তারা (বাদী) কার কাছে মামলা খসড়া প্রস্তুত করতে যায় আপনারা জানেন, এটা কিন্তু আমার পুলিশের কাছে যাচ্ছে না—অন্যের কাছে যাচ্ছে। তারা এটা এভাবে সাজিয়ে দিচ্ছে,' গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন তিনি।
'আমরা ইতোমধ্যে বলে দিয়েছি, তদন্ত ছাড়া কাউকেই গ্রেপ্তার করা হবে না। ধরার কথা অপরাধীদের, আমি সাধারণ মানুষকে তো ধরার জন্য বলবো না,' যোগ করেন তিনি।
মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে, এটি কীভাবে রোধ করা যায়—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কাল দেখলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে...তারা তো সবচেয়ে শিক্ষিত, তাদের সচেতনতা আসতে হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।'
পুলিশ কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পেতে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয়। এটা যেন কাগজ কলমে না থাকে, সেটা তাদের বলেছি। থানা পর্যায়ে গিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না, সব সমস্যার সমাধান সম্ভবও না। তবে তাদের কথা যেন মনোযোগ সহকারে শোনা হয়।
ট্রাফিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও এ সময় জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
চাঁদাবাজি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'চাঁদাবাজি বন্ধ হলে জিনিসপত্রের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।'

সাম্প্রতিক সময়ে দায়ের করা মামলাগুলোয় বিপুল সংখ্যক আসামি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এখন পুলিশ মামলা করছে না, করছে সাধারণ জনগণ। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে মতবিনিময় শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'আগে পুলিশ মামলা দিতো, এই সময়ে কোনো পুলিশ একটা মামলা দিয়েছে? আগে পুলিশ ১০ জনের নাম দিয়ে ১০০ জনের নাম দিতো অজ্ঞাত। আজ পর্যন্ত কিন্তু পুলিশ (মামলা) দিচ্ছে না। এটা কিন্তু সাধারণ পাবলিকরা দিচ্ছে।'
পুলিশ বাদী হয়ে এ রকম একটি মামলা করলে তাকে অবহিত করার অনুরোধ জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, 'সাধারণ জনগণকে বলতে হবে, যারা প্রকৃতপক্ষে অপরাধী তার বিরুদ্ধে মামলা করো।'
দুইজন বাদীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রকৃত অপরাধীকে ১১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। অথচ হওয়ার কথা এক নম্বর আসামি।
'তারা (বাদী) কার কাছে মামলা খসড়া প্রস্তুত করতে যায় আপনারা জানেন, এটা কিন্তু আমার পুলিশের কাছে যাচ্ছে না—অন্যের কাছে যাচ্ছে। তারা এটা এভাবে সাজিয়ে দিচ্ছে,' গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন তিনি।
'আমরা ইতোমধ্যে বলে দিয়েছি, তদন্ত ছাড়া কাউকেই গ্রেপ্তার করা হবে না। ধরার কথা অপরাধীদের, আমি সাধারণ মানুষকে তো ধরার জন্য বলবো না,' যোগ করেন তিনি।
মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে, এটি কীভাবে রোধ করা যায়—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কাল দেখলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে...তারা তো সবচেয়ে শিক্ষিত, তাদের সচেতনতা আসতে হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।'
পুলিশ কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পেতে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয়। এটা যেন কাগজ কলমে না থাকে, সেটা তাদের বলেছি। থানা পর্যায়ে গিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না, সব সমস্যার সমাধান সম্ভবও না। তবে তাদের কথা যেন মনোযোগ সহকারে শোনা হয়।
ট্রাফিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও এ সময় জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
চাঁদাবাজি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'চাঁদাবাজি বন্ধ হলে জিনিসপত্রের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।'

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে