
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, বিভিন্ন জেলায় চলমান ব্যাপক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে যেন দেশের পরিবেশ ও সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় না ঘটে সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৫ মার্চ) জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৪ এ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জলমহাল ও জলাভূমি ভরাটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাহাড়-টিলা সংরক্ষণ ও পাহাড়ের ঢাল এবং পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণ বন্ধ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার পাশাপাশি এরইমধ্যে বন্ধ করা ইটভাটা যেন কোনো ভাবেই পুনরায় চালু করতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি কাজে শতভাগ ব্লক ইট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প-কারখানায় ইটিপি চালু রাখতে জেলা প্রশাসকদের মনিটরিং করার অনুরোধ জানান।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রিন ফাইন্যান্সিং এর আওতায় ১ হাজার কোটি টাকা তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব টেকনোলজি ব্যবহারের জন্য ৫ শতাংশ হারে ঋণ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলা ঋণ কমিটি এবং জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে ইটভাটা মালিকদের বিষয়টি অবহিত করা ও ঋণ দেয়ার মাধ্যমে ব্লক ইট উৎপাদনে উৎসাহিত করতে হবে।
সাবের চৌধুরী বলেন, বায়ুদূষণ রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রাস্তা নির্মাণ, কনস্ট্রাকশন সামগ্রী, ইটভাটা, বর্জ্য ইত্যাদির মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধে জেলাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। লেড এসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম বন্ধে জেলা প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেন।
তিনি বলেন, প্লাস্টিকের দূষণ রোধ ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরিবেশ, প্রতিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও দূষণ রোধে ইনোভেটিভ আইডিয়া গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকরা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে জেলা প্রশাসকরা কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড আবদুল হামিদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীসহ অনেকে।

দেশের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, বিভিন্ন জেলায় চলমান ব্যাপক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে যেন দেশের পরিবেশ ও সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় না ঘটে সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৫ মার্চ) জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৪ এ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জলমহাল ও জলাভূমি ভরাটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাহাড়-টিলা সংরক্ষণ ও পাহাড়ের ঢাল এবং পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণ বন্ধ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার পাশাপাশি এরইমধ্যে বন্ধ করা ইটভাটা যেন কোনো ভাবেই পুনরায় চালু করতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি কাজে শতভাগ ব্লক ইট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প-কারখানায় ইটিপি চালু রাখতে জেলা প্রশাসকদের মনিটরিং করার অনুরোধ জানান।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রিন ফাইন্যান্সিং এর আওতায় ১ হাজার কোটি টাকা তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব টেকনোলজি ব্যবহারের জন্য ৫ শতাংশ হারে ঋণ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলা ঋণ কমিটি এবং জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে ইটভাটা মালিকদের বিষয়টি অবহিত করা ও ঋণ দেয়ার মাধ্যমে ব্লক ইট উৎপাদনে উৎসাহিত করতে হবে।
সাবের চৌধুরী বলেন, বায়ুদূষণ রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রাস্তা নির্মাণ, কনস্ট্রাকশন সামগ্রী, ইটভাটা, বর্জ্য ইত্যাদির মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধে জেলাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। লেড এসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম বন্ধে জেলা প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেন।
তিনি বলেন, প্লাস্টিকের দূষণ রোধ ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরিবেশ, প্রতিবেশ, বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও দূষণ রোধে ইনোভেটিভ আইডিয়া গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকরা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে জেলা প্রশাসকরা কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড আবদুল হামিদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীসহ অনেকে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে