
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে যেন খাদ্যঘাটতি না হয় সেজন্য ১০ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান খাদ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘খাদ্যঘাটতি মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এই চালের আমদানি নির্ভর করে, বোরো ধান উৎপাদনের ওপর। যদি উৎপাদন ভাল হয় তাহলে আমদানি কমবে, যদি কম হয় তাহলে বাড়তেও পারে।’
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘অকাল বন্যার কারণে আমনের ঘাটতি হয়েছে। ঘাটতি হয়েছে আউশেও। আমাদের সামনে আছে বোরো। আমরা আশা করছি, যদি বোরো ভাল উৎপাদন হয়, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আমরা আমদানি কমাতে পারব। তবে এর জন্যে আমরা অপেক্ষা করব না। বিদেশ থেকে আমদানি অব্যাহত থাকবে।’
খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, ‘খাদ্যের মজুত ও সরবরাহ ঠিক রাখতে আমরা মাল্টিপল সোর্স ব্যবহার করব।’
তিনি বলেন, ‘ সাধারণত বোরো আহরণ শুরু হয় ১৫ এপ্রিলের পর থেকে। তবে হাওরের বোরো আগে ওঠে। আমাদের টার্গেট এই বোরো সংগ্রহ। এখানে ২৫ লাখ টন বোরো উতপাদন হয়। ওটার ওপরে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত।’
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে চাল আমদানি করা হবে। তিন লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন গম কেনা হবে। এরমধ্যে রাশিয়া থেকে দুই লাখ টন। চালের একটা বড় অংশ আসবে ভারত থেকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে চাল কেনা যাবে। কিন্তু ভারতে চালের দাম এবং পরিবহন খরচ কম থাকায় ভারত থেকে বেশি আমদানি করা হবে। এ ছাড়া পাকিস্তান থেকেও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল কিনতে চুক্তি করা হয়েছে। আবার ভিয়েতনাম থেকে এক লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
চালের দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ত্রিশ টাকা দামে ওএমএসএ-এর মাধ্যমে চাল দিচ্ছি। টিসিবিও কম দামে চাল দিচ্ছে।’
খাদ্য উপদেষ্টা হিসেবে চালের দাম স্বাভাবিক কি না, সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আরও কমলে ভালো, খুশি হব। তবে কৃষকের কথাও ভাবতে হবে। উৎপাদন ব্যয়ের কথাও চিন্তা করতে হবে।’

দেশে যেন খাদ্যঘাটতি না হয় সেজন্য ১০ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান খাদ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘খাদ্যঘাটতি মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এই চালের আমদানি নির্ভর করে, বোরো ধান উৎপাদনের ওপর। যদি উৎপাদন ভাল হয় তাহলে আমদানি কমবে, যদি কম হয় তাহলে বাড়তেও পারে।’
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘অকাল বন্যার কারণে আমনের ঘাটতি হয়েছে। ঘাটতি হয়েছে আউশেও। আমাদের সামনে আছে বোরো। আমরা আশা করছি, যদি বোরো ভাল উৎপাদন হয়, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আমরা আমদানি কমাতে পারব। তবে এর জন্যে আমরা অপেক্ষা করব না। বিদেশ থেকে আমদানি অব্যাহত থাকবে।’
খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, ‘খাদ্যের মজুত ও সরবরাহ ঠিক রাখতে আমরা মাল্টিপল সোর্স ব্যবহার করব।’
তিনি বলেন, ‘ সাধারণত বোরো আহরণ শুরু হয় ১৫ এপ্রিলের পর থেকে। তবে হাওরের বোরো আগে ওঠে। আমাদের টার্গেট এই বোরো সংগ্রহ। এখানে ২৫ লাখ টন বোরো উতপাদন হয়। ওটার ওপরে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত।’
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে চাল আমদানি করা হবে। তিন লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন গম কেনা হবে। এরমধ্যে রাশিয়া থেকে দুই লাখ টন। চালের একটা বড় অংশ আসবে ভারত থেকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে চাল কেনা যাবে। কিন্তু ভারতে চালের দাম এবং পরিবহন খরচ কম থাকায় ভারত থেকে বেশি আমদানি করা হবে। এ ছাড়া পাকিস্তান থেকেও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল কিনতে চুক্তি করা হয়েছে। আবার ভিয়েতনাম থেকে এক লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
চালের দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ত্রিশ টাকা দামে ওএমএসএ-এর মাধ্যমে চাল দিচ্ছি। টিসিবিও কম দামে চাল দিচ্ছে।’
খাদ্য উপদেষ্টা হিসেবে চালের দাম স্বাভাবিক কি না, সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আরও কমলে ভালো, খুশি হব। তবে কৃষকের কথাও ভাবতে হবে। উৎপাদন ব্যয়ের কথাও চিন্তা করতে হবে।’

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে