
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চাঁদাবাজির কারণে গরুর মাংসের দাম এখন ৮০০ টাকা কেজি এমন অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একটা বিষয় শুরু হলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যাবে- এমন তো ভাবার কোনো কারণ নেই।
মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, চাঁদাবাজি একটা বিষয় অবশ্যই আছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠিন বক্তব্য রেখেছেন। সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। একটা বিষয় শুরু হলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যাবে, এমন তো ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী বলার পর সবাই নড়েচড়ে বসেছেন। যার যে দায়িত্ব আছে পালন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক সবাই সবার তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে। অর্থনীতিতে যখন সংকট হবে তখন দ্রব্যমূল্য, বাজার ওঠানামা করে। ওঠানামা করে এটা বাজারের ধর্ম। অপেক্ষা করেন, আপনাদের তো না খাইয়ে রাখেনি, দেশের মানুষ খেতে পারছে। একটা মানুষও না খেয়ে মরেনি। দেশের মানুষ অনেক ভাল আছে।
অন্য আরেক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, যা হয়নি সেটা আবারও হবে, আমেরিকা ফিরে গিয়ে কী বলবে এ নিয়ে স্পেকুলেশনের কোনো প্রয়োজনীয়তা কী আমাদের আছে? আমরা বুঝবো কী বলে গেছেন। আবার আমেরিকায় গিয়ে কী বলবেন, সে সব নিয়ে এত মাথা ঘামানোর কোনো প্রয়োজন তো আমাদের নেই। দেখুন একটা কথা বলে রাখি, আমরা বিদেশি বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায়, বন্ধুর পরিবর্তে যারা প্রভুর ভূমিকায় আসতে চান, সে প্রভুর দাসত্ব আমরা মানি না। এটাই আমাদের পররাষ্ট্রনীতি।
বিএনপির সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দল বৈঠক করলেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে করেনি এটাকে কোনো সংকট মনে করছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো সংকটের কথা বলেনি, কেন বলবে? বিএনপির সঙ্গে তাদের বৈঠক করে সেটা নির্বাচনের আগে একটা পরিস্থিতি ছিল। তখন এই বৈঠক সরকারি দল, বিরোধী দল সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে করার দরকার ছিল। এখন তারা মূলত এসেছে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোড়দার করতে। তাদের সঙ্গে একটা বৈঠক করেছে তাদের মতামত বা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের কী ওপিনিয়ন, তাদের কী ভিউজ সেটা জানাটা তারা যৌক্তিক মনে করেছে। সে কারণে বৈঠক করেছে। তারা তো আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেও তো আমাদের দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছে। কাজে এখানে কোনো ঘাটতি আছে এটা আমরা মনে করছি না।
গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় দিগুণ ৩০০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করতে হবে এ নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বিশ্ব সংকটের কারণে সারা দুনিয়াতেই এখন অর্থ সংকট প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সময় ঋণ আগের তুলনায় বাড়তে পারে কিন্তু বাংলাদেশ এ যাবত ঋণ খেলাপি হওয়ার কোনো রেকর্ড রাখেনি। আমরা সে ব্যবস্থা করছি। আমরা ঋণ খেলাপি থাকবো না এটুকু বলতে পারি।
দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির কারণে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে এমন আশঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন,আমাদের দেশের জনগণ প্রমাণ করে তারা এতো উসকানি, এতো আন্দোলন যে বাংলাদেশ উত্তাল সাগর হয়ে যাবে এসবের পর তাদের ওই পিকনিক পার্টি সমাবেশের নামে সেখানে জনগণ প্রলুব্ধ হয়নি। প্ররোচিতও হয়নি। দেশের জনগণ সারা বিশ্বের খবর রাখে। সারা বিশ্বের সব খবর নিয়ে গ্রামে চায়ের দোকানে রীতিমতো গবেষণা হয়। মানুষ বুঝে এখানে সরকারের দোষ নেয়। বিশ্বে যে সংকট দ্রব্যমূল্য নিয়ে সে দ্রব্যমূল্য বাংলাদেশের একার নয়। সারা দুনিয়াতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। পৃথিবীর একটা দেশ দেখান যেখানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক অবস্থায় আছে। তবে আমাদের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা এখনো আছে। আমরা আশা করি সামনের রমজানেও জিনিসপত্র এভেইলেবল থাকবে।

চাঁদাবাজির কারণে গরুর মাংসের দাম এখন ৮০০ টাকা কেজি এমন অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একটা বিষয় শুরু হলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যাবে- এমন তো ভাবার কোনো কারণ নেই।
মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, চাঁদাবাজি একটা বিষয় অবশ্যই আছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠিন বক্তব্য রেখেছেন। সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। একটা বিষয় শুরু হলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যাবে, এমন তো ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী বলার পর সবাই নড়েচড়ে বসেছেন। যার যে দায়িত্ব আছে পালন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক সবাই সবার তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে। অর্থনীতিতে যখন সংকট হবে তখন দ্রব্যমূল্য, বাজার ওঠানামা করে। ওঠানামা করে এটা বাজারের ধর্ম। অপেক্ষা করেন, আপনাদের তো না খাইয়ে রাখেনি, দেশের মানুষ খেতে পারছে। একটা মানুষও না খেয়ে মরেনি। দেশের মানুষ অনেক ভাল আছে।
অন্য আরেক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, যা হয়নি সেটা আবারও হবে, আমেরিকা ফিরে গিয়ে কী বলবে এ নিয়ে স্পেকুলেশনের কোনো প্রয়োজনীয়তা কী আমাদের আছে? আমরা বুঝবো কী বলে গেছেন। আবার আমেরিকায় গিয়ে কী বলবেন, সে সব নিয়ে এত মাথা ঘামানোর কোনো প্রয়োজন তো আমাদের নেই। দেখুন একটা কথা বলে রাখি, আমরা বিদেশি বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায়, বন্ধুর পরিবর্তে যারা প্রভুর ভূমিকায় আসতে চান, সে প্রভুর দাসত্ব আমরা মানি না। এটাই আমাদের পররাষ্ট্রনীতি।
বিএনপির সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দল বৈঠক করলেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে করেনি এটাকে কোনো সংকট মনে করছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো সংকটের কথা বলেনি, কেন বলবে? বিএনপির সঙ্গে তাদের বৈঠক করে সেটা নির্বাচনের আগে একটা পরিস্থিতি ছিল। তখন এই বৈঠক সরকারি দল, বিরোধী দল সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে করার দরকার ছিল। এখন তারা মূলত এসেছে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোড়দার করতে। তাদের সঙ্গে একটা বৈঠক করেছে তাদের মতামত বা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের কী ওপিনিয়ন, তাদের কী ভিউজ সেটা জানাটা তারা যৌক্তিক মনে করেছে। সে কারণে বৈঠক করেছে। তারা তো আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেও তো আমাদের দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছে। কাজে এখানে কোনো ঘাটতি আছে এটা আমরা মনে করছি না।
গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় দিগুণ ৩০০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করতে হবে এ নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বিশ্ব সংকটের কারণে সারা দুনিয়াতেই এখন অর্থ সংকট প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সময় ঋণ আগের তুলনায় বাড়তে পারে কিন্তু বাংলাদেশ এ যাবত ঋণ খেলাপি হওয়ার কোনো রেকর্ড রাখেনি। আমরা সে ব্যবস্থা করছি। আমরা ঋণ খেলাপি থাকবো না এটুকু বলতে পারি।
দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির কারণে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে এমন আশঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন,আমাদের দেশের জনগণ প্রমাণ করে তারা এতো উসকানি, এতো আন্দোলন যে বাংলাদেশ উত্তাল সাগর হয়ে যাবে এসবের পর তাদের ওই পিকনিক পার্টি সমাবেশের নামে সেখানে জনগণ প্রলুব্ধ হয়নি। প্ররোচিতও হয়নি। দেশের জনগণ সারা বিশ্বের খবর রাখে। সারা বিশ্বের সব খবর নিয়ে গ্রামে চায়ের দোকানে রীতিমতো গবেষণা হয়। মানুষ বুঝে এখানে সরকারের দোষ নেয়। বিশ্বে যে সংকট দ্রব্যমূল্য নিয়ে সে দ্রব্যমূল্য বাংলাদেশের একার নয়। সারা দুনিয়াতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। পৃথিবীর একটা দেশ দেখান যেখানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক অবস্থায় আছে। তবে আমাদের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা এখনো আছে। আমরা আশা করি সামনের রমজানেও জিনিসপত্র এভেইলেবল থাকবে।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে