
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নাবিকদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে অন্য একটি জাহাজ। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলেও জিম্মিদের হত্যার শঙ্কায় সরে যায় ওই জাহাজটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জিম্মি নাবিক।
তিনি বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে নেভির একটা জাহাজ আমাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। এরা (জলদস্যুরা) আমাদের দেয়নি। ওরা (উদ্ধারে আসা জাহাজ) বাইরে থেকে ফায়ার করেছে। তখন জলদস্যুরা বলছে আমরা (বাংলাদেশি নাবিকরা) হোস্টেজ (জিম্মি) আছে। ওরা (উদ্ধারে আসা জাহাজ) যদি হামলা করে, তাহলে আমাদের মেরে ফেলবে।’
জিম্মি নাবিক বলেন, ‘এরপর ওরা সরে গেছে। ওরা (উদ্ধারে আসা জাহাজ) ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে থেকে আমাদের অনুসরণ করছে। আমাদের ক্যাপ্টেনকে বলছে, ওরা আমাদের ফলো করছে, ২০ ন্যাটিক্যাল মাইল দূরে দূরে থাকছে। যথাসম্ভব ওরা কাছে আসতে পারবে না।’
উদ্ধার করতে আসা জাহাজটি বুধবার বিকেল থেকে বাংলাদেশি জাহাজটিকে অনুসরণ করছিল। তথ্যদাতা বলছেন, সেটি সোমালিয়ান নেভি কি না নিশ্চিত না। ধারণা করা হচ্ছে, আরব আমিরাত বা অন্যকোনো আরব দেশের হবে।
ওই জাহাজের নাবিকরা মাইক ব্যবহার করে বাংলাদেশি নাবিকদের বারবার আশ্বস্ত করেন। এবং জলদস্যুদের জাহাজ ত্যাগ করার আহ্বান জানান। ফায়ার করেন। কিন্তু জিম্মিদের মেরে ফেলার হুমকিতে তারা ২০ নটিক্যাল মাইল পিছু সর যায়।
জিম্মি নাবিকের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে সোমালিয়ান সময় সকাল ১০টায় জাহাজটি নোঙর করেছে। এখন অন্য দস্যুদের হাতে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি আশঙ্কা করছেন এরপর হয়তো আর যোগাযোগ করা সম্ভব হবে না।
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ব্যুরোর (আইএমবি) বরাত দিয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বর্তমানে জাহাজটি সোমালিয়ার গারাকাড উপকূল থেকে ২০ মাইল দূরে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ। ওই সময় জাহাজটি সোমালিয়া উপকূল থেকে ৪৫০ ন্যাটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। দস্যুদের কাছে জিম্মি আছেন ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রু।

সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নাবিকদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে অন্য একটি জাহাজ। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলেও জিম্মিদের হত্যার শঙ্কায় সরে যায় ওই জাহাজটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জিম্মি নাবিক।
তিনি বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে নেভির একটা জাহাজ আমাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। এরা (জলদস্যুরা) আমাদের দেয়নি। ওরা (উদ্ধারে আসা জাহাজ) বাইরে থেকে ফায়ার করেছে। তখন জলদস্যুরা বলছে আমরা (বাংলাদেশি নাবিকরা) হোস্টেজ (জিম্মি) আছে। ওরা (উদ্ধারে আসা জাহাজ) যদি হামলা করে, তাহলে আমাদের মেরে ফেলবে।’
জিম্মি নাবিক বলেন, ‘এরপর ওরা সরে গেছে। ওরা (উদ্ধারে আসা জাহাজ) ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে থেকে আমাদের অনুসরণ করছে। আমাদের ক্যাপ্টেনকে বলছে, ওরা আমাদের ফলো করছে, ২০ ন্যাটিক্যাল মাইল দূরে দূরে থাকছে। যথাসম্ভব ওরা কাছে আসতে পারবে না।’
উদ্ধার করতে আসা জাহাজটি বুধবার বিকেল থেকে বাংলাদেশি জাহাজটিকে অনুসরণ করছিল। তথ্যদাতা বলছেন, সেটি সোমালিয়ান নেভি কি না নিশ্চিত না। ধারণা করা হচ্ছে, আরব আমিরাত বা অন্যকোনো আরব দেশের হবে।
ওই জাহাজের নাবিকরা মাইক ব্যবহার করে বাংলাদেশি নাবিকদের বারবার আশ্বস্ত করেন। এবং জলদস্যুদের জাহাজ ত্যাগ করার আহ্বান জানান। ফায়ার করেন। কিন্তু জিম্মিদের মেরে ফেলার হুমকিতে তারা ২০ নটিক্যাল মাইল পিছু সর যায়।
জিম্মি নাবিকের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে সোমালিয়ান সময় সকাল ১০টায় জাহাজটি নোঙর করেছে। এখন অন্য দস্যুদের হাতে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি আশঙ্কা করছেন এরপর হয়তো আর যোগাযোগ করা সম্ভব হবে না।
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ব্যুরোর (আইএমবি) বরাত দিয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বর্তমানে জাহাজটি সোমালিয়ার গারাকাড উপকূল থেকে ২০ মাইল দূরে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ। ওই সময় জাহাজটি সোমালিয়া উপকূল থেকে ৪৫০ ন্যাটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। দস্যুদের কাছে জিম্মি আছেন ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রু।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে