
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম বলেছেন, জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না। সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের জন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলেন তিনি।
আজ (বুধবার) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— উপ প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে সুযোগ দেব না। খুনিরা কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশ করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ।
আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই গণহত্যার বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং তাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চেতে হবে। তাদের রাজনীতি করতে হলে ক্লিন ইমেজ নিয়ে আসতে হবে।
গণহত্যার জন্য দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দায়ী থাকতে পারে কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কেন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের গণহত্যার জন্য কোনো নেতা বা কর্মী কি অনুতপ্ত? তারা কি এজন্য ক্ষমা চেয়েছে? কী হত্যাযজ্ঞ হয়েছে আপনারা দেখেছেন, ৭১টি শিশুকে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার দিয়ে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। একজনও এজন্য অনুতপ্ত বা ক্ষমা চেয়েছে? চায়নি?
শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের কেউ এসে বলেছে হাসিনার এই কিলিং আমরা মানি না? আমরা একটা ক্লিন ইমেজের লিডারশিপ চাই। একজনও কিন্তু বলেনি। বরং অনেকেই মিথ্যা কথা বলছে, গুজব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম বলেছেন, জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না। সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের জন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলেন তিনি।
আজ (বুধবার) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— উপ প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে সুযোগ দেব না। খুনিরা কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশ করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ।
আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই গণহত্যার বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং তাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চেতে হবে। তাদের রাজনীতি করতে হলে ক্লিন ইমেজ নিয়ে আসতে হবে।
গণহত্যার জন্য দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দায়ী থাকতে পারে কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কেন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের গণহত্যার জন্য কোনো নেতা বা কর্মী কি অনুতপ্ত? তারা কি এজন্য ক্ষমা চেয়েছে? কী হত্যাযজ্ঞ হয়েছে আপনারা দেখেছেন, ৭১টি শিশুকে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার দিয়ে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। একজনও এজন্য অনুতপ্ত বা ক্ষমা চেয়েছে? চায়নি?
শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের কেউ এসে বলেছে হাসিনার এই কিলিং আমরা মানি না? আমরা একটা ক্লিন ইমেজের লিডারশিপ চাই। একজনও কিন্তু বলেনি। বরং অনেকেই মিথ্যা কথা বলছে, গুজব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে