
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেহেতু বলেছেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে; তার মানে এটা বাস্তবায়ন হবে।
সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের ষষ্ঠ কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এটা যেহেতু প্রধানমন্ত্রী রংপুর গিয়ে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট প্রায় ১০ লাখ মানুষের সামনে তিনি বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে, তার মানে এটা বাস্তবায়ন হবে। তিস্তা মহা পরিকল্পনার সমীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এ সময় পাশে থাকা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি নদীর রক্ষার জন্য। আমাদের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কমিটি আছে, এই কমিটিগুলো গঠন করে বছরে যেন দুটি না হলেও একটি সভা যেন করা হয়। এ কমিটিগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যুক্ত এবং নদীগুলো রক্ষার সঙ্গে কিন্তু আমাদের জলবায়ু-পরিবেশ সবকিছু... একটা বিষয় চলে আসে। কাজেই এই নদী রক্ষার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেহেতু বলেছেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে; তার মানে এটা বাস্তবায়ন হবে।
সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের ষষ্ঠ কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এটা যেহেতু প্রধানমন্ত্রী রংপুর গিয়ে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট প্রায় ১০ লাখ মানুষের সামনে তিনি বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে, তার মানে এটা বাস্তবায়ন হবে। তিস্তা মহা পরিকল্পনার সমীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এ সময় পাশে থাকা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি নদীর রক্ষার জন্য। আমাদের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কমিটি আছে, এই কমিটিগুলো গঠন করে বছরে যেন দুটি না হলেও একটি সভা যেন করা হয়। এ কমিটিগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যুক্ত এবং নদীগুলো রক্ষার সঙ্গে কিন্তু আমাদের জলবায়ু-পরিবেশ সবকিছু... একটা বিষয় চলে আসে। কাজেই এই নদী রক্ষার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে