
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত ডিসেম্বর মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৩৬০টি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ঢাকায় দিনে গড়ে ৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এ ছাড়া এ সময়ের সবচেয়ে বেশি আগুনের ঘটনা ঘটেছে রংপুরে। এসব ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছে।
বুধবার ফায়ার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের গণমাধ্যম কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৩৬০ টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৭১টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৫টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৪৪৫টি, খুলনা বিভাগে ১৬০টি, সিলেট বিভাগে ৮০টি, বরিশাল বিভাগে ৯৭টি ও রংপুর বিভাগে ৬০৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মাসিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেড়েছে। নভেম্বর মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৩৫টি আগুনের ঘটনা ঘটে। এদিকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৯২টি আগুনের ঘটনায় ৪ জন আহত ও ৪ জন নিহত হয়েছে।
আরও জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সারাদেশে ৮২৭টি বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। এতে ৮৩৪ জন আহত ও ১০০ জন নিহত হন। যার মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৬৭৫টি। এছাড়া রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার জনিত দুর্ঘটনা ২৬টি, গ্যাস লাইনে ত্রুটি জনিত ৯টি, লিফট দুর্ঘটনা ১২টি, নদী ও পানিতে ডুবে যাওয়ার ৩৪টি দুর্ঘটনা ঘটে। সারাদেশে নদী, পুকুর বা পানিতে ডুবে ২৪ জন নিহত হন।
এ সময় শুধু ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০টি বিভিন্ন ধরণের দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ১৭ জন আহত হয়। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ১৮১টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৫টি, রাজশাহী বিভাগে ২০৯টি, খুলনা বিভাগে ১১৫টি, সিলেট বিভাগে ১৯টি, বরিশাল বিভাগে ৫১টি ও রংপুর বিভাগে ১০৯টি দুর্ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সারা দেশ থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আগুন ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৬১০টি কলের মাধ্যমে সেবা প্রদান করেছে। এ ছাড়া ৯৪৬টি কলের মাধ্যমে ৯৪১ জন রোগী পরিবহন করে অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করেছে।

গত ডিসেম্বর মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৩৬০টি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ঢাকায় দিনে গড়ে ৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এ ছাড়া এ সময়ের সবচেয়ে বেশি আগুনের ঘটনা ঘটেছে রংপুরে। এসব ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছে।
বুধবার ফায়ার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের গণমাধ্যম কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৩৬০ টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৭১টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৫টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৪৪৫টি, খুলনা বিভাগে ১৬০টি, সিলেট বিভাগে ৮০টি, বরিশাল বিভাগে ৯৭টি ও রংপুর বিভাগে ৬০৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মাসিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেড়েছে। নভেম্বর মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৩৫টি আগুনের ঘটনা ঘটে। এদিকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৯২টি আগুনের ঘটনায় ৪ জন আহত ও ৪ জন নিহত হয়েছে।
আরও জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সারাদেশে ৮২৭টি বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। এতে ৮৩৪ জন আহত ও ১০০ জন নিহত হন। যার মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৬৭৫টি। এছাড়া রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার জনিত দুর্ঘটনা ২৬টি, গ্যাস লাইনে ত্রুটি জনিত ৯টি, লিফট দুর্ঘটনা ১২টি, নদী ও পানিতে ডুবে যাওয়ার ৩৪টি দুর্ঘটনা ঘটে। সারাদেশে নদী, পুকুর বা পানিতে ডুবে ২৪ জন নিহত হন।
এ সময় শুধু ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০টি বিভিন্ন ধরণের দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ১৭ জন আহত হয়। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ১৮১টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৫টি, রাজশাহী বিভাগে ২০৯টি, খুলনা বিভাগে ১১৫টি, সিলেট বিভাগে ১৯টি, বরিশাল বিভাগে ৫১টি ও রংপুর বিভাগে ১০৯টি দুর্ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সারা দেশ থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আগুন ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৬১০টি কলের মাধ্যমে সেবা প্রদান করেছে। এ ছাড়া ৯৪৬টি কলের মাধ্যমে ৯৪১ জন রোগী পরিবহন করে অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করেছে।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে