
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে আগের ধাপগুলোর চেয়ে অধিক সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। সহিংসতা করে কেউ পার পাবে না।
মঙ্গলবার (২৮ মে) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইসি আলমগীর বলেন, কেউ যদি শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করে, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে যে উপজেলাগুলোয় নির্বাচন বন্ধ আছে, সেগুলোতে ভোট হবে, তা আবহাওয়া কবে ভালো হবে, সামনে ঈদ, স্থানীয় প্রশাসনের মতামত ইত্যাদি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ভোট আছে, সেদিনও হতে পাবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন মতামতের ওপর নির্ভর করবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যদি এখনো বলে যে নির্বাচন করা সম্ভব নয়, সেখানে নির্বাচন বন্ধ কর দেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আইন-শৃঙ্খলায় কোনো প্রভাব পড়বে না। কেননা, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের চেয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য আরও বেশি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে ভোটার উপস্থিতি কেমন তা আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে কি না সেটা বলা কঠিন। কোনো জায়গায় কত ইফেক্ট পড়েছে সেটা বলা যাচ্ছে না।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আশা করি না যে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটবে। আমরা মনে করি না সহিংসতা করে কেউ পার পাবে। কেননা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বেশি নিয়োগ করা আছে।
দুপুরের পর ভোট বেশি পড়ে কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক ওই ইসি সচিব বলেন, এক শতাংশ ভোট পড়লেও কোনো অসুবিধা নেই। ভোটার যা আসবে তাই। আমাদের কঠোর নির্দেশ যে ভোটার যদি একজন আসেন একজনই দেখাতে হবে। ৫০ জন এলে ৫০ জনই দেখাতে হবে। কেউ যদি বেশি দেখায় আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে আগের ধাপগুলোর চেয়ে অধিক সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। সহিংসতা করে কেউ পার পাবে না।
মঙ্গলবার (২৮ মে) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইসি আলমগীর বলেন, কেউ যদি শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করে, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে যে উপজেলাগুলোয় নির্বাচন বন্ধ আছে, সেগুলোতে ভোট হবে, তা আবহাওয়া কবে ভালো হবে, সামনে ঈদ, স্থানীয় প্রশাসনের মতামত ইত্যাদি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ভোট আছে, সেদিনও হতে পাবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন মতামতের ওপর নির্ভর করবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যদি এখনো বলে যে নির্বাচন করা সম্ভব নয়, সেখানে নির্বাচন বন্ধ কর দেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আইন-শৃঙ্খলায় কোনো প্রভাব পড়বে না। কেননা, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের চেয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য আরও বেশি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে ভোটার উপস্থিতি কেমন তা আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে কি না সেটা বলা কঠিন। কোনো জায়গায় কত ইফেক্ট পড়েছে সেটা বলা যাচ্ছে না।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আশা করি না যে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটবে। আমরা মনে করি না সহিংসতা করে কেউ পার পাবে। কেননা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বেশি নিয়োগ করা আছে।
দুপুরের পর ভোট বেশি পড়ে কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক ওই ইসি সচিব বলেন, এক শতাংশ ভোট পড়লেও কোনো অসুবিধা নেই। ভোটার যা আসবে তাই। আমাদের কঠোর নির্দেশ যে ভোটার যদি একজন আসেন একজনই দেখাতে হবে। ৫০ জন এলে ৫০ জনই দেখাতে হবে। কেউ যদি বেশি দেখায় আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যবসায় সফলতার জন্য সরকারের ব্যবসায়ী নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, একই সঙ্গে সামর্থ্যও আছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। ট্যাক্স, ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে জোর দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায়, আমরা এক
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, তিনি সত্যিই স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করছেন, নাকি এর পেছনে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ধারাবাহিক সমালোচনা, অভিশংসনের দাবি এবং রাজনৈতিক চাপ ভূমিকা রেখেছে।
২ দিন আগে
নৈতিক স্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ
২ দিন আগে