
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বৈরাচারের পরিণতির নিদর্শন সংরক্ষণ করতে গণভবনকে জাদুঘর বানানো হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন সেই আলোচনা পরে করা হবে।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) গণভবন পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি হিসেবে গণভবনকে জাদুঘরে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারণ স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রনায়কের আসলে কি পরিণত হয় এবং জনগণই যে সব ক্ষমতার মালিক এই বিষয়টি পৃথিবীতে নিদর্শন করে রাখার জন্যই এই জাদুঘর বানানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আজকে আমাদের প্রাথমিক ভিজিট ছিল। এখানে গণপূর্ত এবং স্থাপত্য বিভাগের যারা দায়িত্বে আছেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের থেকে আমরা প্রাথমিক পরামর্শ নিয়েছি এবং আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো বলেছি, আমরা কিভাবে দেখতে চাই সেটি বলা হয়েছে। এছাড়া ফরমাল কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামীকালকের মধ্যেই হয়তো কমিটি গঠন হয়ে যাবে। কমিটি গঠিত হলে আগামী সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু হবে।’
জুলাই আন্দোলন ছাড়াও গত ১৬ বছরে যাদের ওপর নিপীড়ন, গুম, খুনের ঘটনা ঘটেছে, সেই তালিকা থাকবে এই জাদুঘরে। মানুষের ক্ষোভের উপস্থাপনও থাকবে সেখানে। কিছু ডিজিটাল রিপ্রেজেন্টেশনও থাকবে।
তিনি আরও জানান, গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের তালিকা প্রায় শেষ দিকে। এ মাসে শহিদ পরিবারদের নিয়ে স্মরণসভা করা হবে। সেখানে তালিকা ঘোষণা করা হবে। তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ফ্যাসিবাদের নিদর্শন সংরক্ষণ করে গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পর জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। স্থপতি ও শিল্পী নিয়ে জাদুঘর নির্মাণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

স্বৈরাচারের পরিণতির নিদর্শন সংরক্ষণ করতে গণভবনকে জাদুঘর বানানো হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন সেই আলোচনা পরে করা হবে।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) গণভবন পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি হিসেবে গণভবনকে জাদুঘরে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারণ স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রনায়কের আসলে কি পরিণত হয় এবং জনগণই যে সব ক্ষমতার মালিক এই বিষয়টি পৃথিবীতে নিদর্শন করে রাখার জন্যই এই জাদুঘর বানানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আজকে আমাদের প্রাথমিক ভিজিট ছিল। এখানে গণপূর্ত এবং স্থাপত্য বিভাগের যারা দায়িত্বে আছেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের থেকে আমরা প্রাথমিক পরামর্শ নিয়েছি এবং আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো বলেছি, আমরা কিভাবে দেখতে চাই সেটি বলা হয়েছে। এছাড়া ফরমাল কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামীকালকের মধ্যেই হয়তো কমিটি গঠন হয়ে যাবে। কমিটি গঠিত হলে আগামী সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু হবে।’
জুলাই আন্দোলন ছাড়াও গত ১৬ বছরে যাদের ওপর নিপীড়ন, গুম, খুনের ঘটনা ঘটেছে, সেই তালিকা থাকবে এই জাদুঘরে। মানুষের ক্ষোভের উপস্থাপনও থাকবে সেখানে। কিছু ডিজিটাল রিপ্রেজেন্টেশনও থাকবে।
তিনি আরও জানান, গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের তালিকা প্রায় শেষ দিকে। এ মাসে শহিদ পরিবারদের নিয়ে স্মরণসভা করা হবে। সেখানে তালিকা ঘোষণা করা হবে। তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ফ্যাসিবাদের নিদর্শন সংরক্ষণ করে গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পর জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। স্থপতি ও শিল্পী নিয়ে জাদুঘর নির্মাণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে