
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পাঁচটি খাতে বছরে বাস পরিবহনে এক হাজার কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঘুষ ও চাঁদাবাজি হয়। এর মধ্যে বিআরটিএ বাসের নিবন্ধন সনদ ও হালনাগাতে সর্বোচ্চ ৯০০ কোটি ৫৯ লাখ ঘুষ লেনদেন হয় বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ‘ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে টিআইবি।
গবেষণায় প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাসের সনদ ইস্যূ ও নবায়নের বাস প্রতি গড়ে ১৭ হাজার ৬১৯ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এ খাত থেকে বছরে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকার ঘুষ ও চাঁদাবাজি হয়। ৫টি খাতে এ ঘুষ ও চাঁদাবাজির মধ্যে সর্বোচ্চ বিআরটিএ বাসের নিবন্ধন সনদ ও হালনাগাতে সর্বোচ্চ ৯০০ কোটি ৫৯ লাখ ঘুষ লেনদেন হয়। এরপর ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশকে মামলা এড়াতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৭ কোটি ৫৭ লাখ ঘুষ লেনদেন হয়।
এরপর ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশকে মামলা এড়াতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৭ কোটি ৫৭ লাখ ঘুষ লেনদেন হয়। এরপর দলীয় পরিচয়ে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক সড়কে বছরে চাঁদাবাজি হয় ২৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, সড়কে পার্কিংয়ের জন্য পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক কর্মীর নামে ৩৩ কোটি ৪৮ লাখ, মামলা এড়াতে ট্রাফিক পুলিশ ৮৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, টার্মিনালে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য মালিক ও শ্রমিক সংগঠন কর্তৃক অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পরিমাণ ১২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায় করা। তবে এই গবেষণায় সিটি বাস সার্ভিস বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
গবেষণা পরিচালনা করেন মুহা. নুরুজ্জামান ফরহাদ, ফারহানা রহমান ও মোহাম্মদ নূরে আলম।
অনুষ্ঠানে সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, পরিবহন খাত আপাদমস্তক দুর্নীতিতে জর্জরিত।

পাঁচটি খাতে বছরে বাস পরিবহনে এক হাজার কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঘুষ ও চাঁদাবাজি হয়। এর মধ্যে বিআরটিএ বাসের নিবন্ধন সনদ ও হালনাগাতে সর্বোচ্চ ৯০০ কোটি ৫৯ লাখ ঘুষ লেনদেন হয় বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ‘ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে টিআইবি।
গবেষণায় প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাসের সনদ ইস্যূ ও নবায়নের বাস প্রতি গড়ে ১৭ হাজার ৬১৯ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এ খাত থেকে বছরে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকার ঘুষ ও চাঁদাবাজি হয়। ৫টি খাতে এ ঘুষ ও চাঁদাবাজির মধ্যে সর্বোচ্চ বিআরটিএ বাসের নিবন্ধন সনদ ও হালনাগাতে সর্বোচ্চ ৯০০ কোটি ৫৯ লাখ ঘুষ লেনদেন হয়। এরপর ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশকে মামলা এড়াতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৭ কোটি ৫৭ লাখ ঘুষ লেনদেন হয়।
এরপর ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশকে মামলা এড়াতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৭ কোটি ৫৭ লাখ ঘুষ লেনদেন হয়। এরপর দলীয় পরিচয়ে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক সড়কে বছরে চাঁদাবাজি হয় ২৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, সড়কে পার্কিংয়ের জন্য পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক কর্মীর নামে ৩৩ কোটি ৪৮ লাখ, মামলা এড়াতে ট্রাফিক পুলিশ ৮৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, টার্মিনালে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য মালিক ও শ্রমিক সংগঠন কর্তৃক অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পরিমাণ ১২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায় করা। তবে এই গবেষণায় সিটি বাস সার্ভিস বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
গবেষণা পরিচালনা করেন মুহা. নুরুজ্জামান ফরহাদ, ফারহানা রহমান ও মোহাম্মদ নূরে আলম।
অনুষ্ঠানে সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, পরিবহন খাত আপাদমস্তক দুর্নীতিতে জর্জরিত।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে