
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সহিংসতায় নিহতদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ১৫০ জন নিহতের তথ্য আমরা পেয়েছি। এতে পুলিশ, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, পথচারী এবং কয়েকজন ছাত্রও আছেন। আমরা সবার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। তাদের স্মরণে আজকে সারাদেশে শোক দিবস পালন করা হয়েছে। প্রাণহানির এ সব ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছি। ছাত্র ভাইদের সব দাবি আমরা মেনে নিয়েছি। তারা ক্যাম্পাসে ফিরে যাবেন বলেই আমরা আশা করি।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, চার সচিব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, আন্দোলন কারা করেছে, শিক্ষার্থীদের কারা ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। যখন শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করে আমাদের সবার ধারণা ছিল এটা অহিংস আন্দোলন। তাদের দাবির প্রতি আমাদের সব সময়ই সহানুভূতি ছিল। ২০১৮ সালেই কোটা বিলুপ্ত করা হয়েছিল।
এর আগে, বিকেলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কারফিউ, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনায় বসেন সাত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, চার সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
এছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, র্যাব, বিজিবি ও আনসার প্রধানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সহিংসতায় নিহতদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ১৫০ জন নিহতের তথ্য আমরা পেয়েছি। এতে পুলিশ, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, পথচারী এবং কয়েকজন ছাত্রও আছেন। আমরা সবার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। তাদের স্মরণে আজকে সারাদেশে শোক দিবস পালন করা হয়েছে। প্রাণহানির এ সব ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছি। ছাত্র ভাইদের সব দাবি আমরা মেনে নিয়েছি। তারা ক্যাম্পাসে ফিরে যাবেন বলেই আমরা আশা করি।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, চার সচিব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, আন্দোলন কারা করেছে, শিক্ষার্থীদের কারা ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। যখন শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করে আমাদের সবার ধারণা ছিল এটা অহিংস আন্দোলন। তাদের দাবির প্রতি আমাদের সব সময়ই সহানুভূতি ছিল। ২০১৮ সালেই কোটা বিলুপ্ত করা হয়েছিল।
এর আগে, বিকেলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কারফিউ, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনায় বসেন সাত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, চার সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
এছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, র্যাব, বিজিবি ও আনসার প্রধানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
২ দিন আগে