
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একসঙ্গে চলবে। তিনি বলেন, ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন সম্ভব নয়।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংলাপের শুরুর দিনে ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বেসরকারি সংগঠন ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (এফবিএস) দুদিনব্যাপী এই সংলাপের আয়োজন করেছে।
ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনের দায়িত্ব কমিশনের, তারিখ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের সেখানে কোনো ভূমিকা নেই। তবে তারা সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। গণঅভ্যুত্থানের বিরোধী শক্তির অব্যাহত চক্রান্ত আমাদের ঐক্য আরও মজবুত করেছে।
ড. ইউনূস সংস্কারের মহাযজ্ঞে সবাইকে আনন্দের সঙ্গে যুক্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রূপান্তরে পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ বাংলাদেশকে সব ধরনের আদর্শ থেকে বিচ্যুত করে গভীর অন্ধকারে নিয়ে গিয়েছিল, তবে আমরা আবারও সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব।
সংলাপের প্রথম দিন দুটি অধিবেশন। প্রথম অধিবেশনে রাজনীতিবিদদের মধ্যে থাকবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাহমুদুর রহমান মান্না, সৈয়দ মহাম্মদ রেজাউল করিমসহ অনেকে। আর উপদেষ্টাদের মধ্যে থাকবেন আদিলুর রহমান খান, শারমীন মুরশিদ ও মাহফুজ আলম।
দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অনেকে।
সংলাপের দ্বিতীয় দিনে ‘গুম–খুন থেকে জুলাই গণহত্যা: বিচারের চ্যালেঞ্জ’, ‘সংস্কারের দায় ও নির্বাচনের পথরেখা’ এবং ‘ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তা’ শিরোনামে তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব অধিবেশনে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও এম তৌহিদ হোসেন। রাজনীতিকদের মধ্যে থাকবেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুলাহ মোহাম্মদ তাহের, জোনায়েদ সাকিসহ অনেকেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একসঙ্গে চলবে। তিনি বলেন, ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন সম্ভব নয়।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংলাপের শুরুর দিনে ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বেসরকারি সংগঠন ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (এফবিএস) দুদিনব্যাপী এই সংলাপের আয়োজন করেছে।
ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনের দায়িত্ব কমিশনের, তারিখ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের সেখানে কোনো ভূমিকা নেই। তবে তারা সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। গণঅভ্যুত্থানের বিরোধী শক্তির অব্যাহত চক্রান্ত আমাদের ঐক্য আরও মজবুত করেছে।
ড. ইউনূস সংস্কারের মহাযজ্ঞে সবাইকে আনন্দের সঙ্গে যুক্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রূপান্তরে পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ বাংলাদেশকে সব ধরনের আদর্শ থেকে বিচ্যুত করে গভীর অন্ধকারে নিয়ে গিয়েছিল, তবে আমরা আবারও সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব।
সংলাপের প্রথম দিন দুটি অধিবেশন। প্রথম অধিবেশনে রাজনীতিবিদদের মধ্যে থাকবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাহমুদুর রহমান মান্না, সৈয়দ মহাম্মদ রেজাউল করিমসহ অনেকে। আর উপদেষ্টাদের মধ্যে থাকবেন আদিলুর রহমান খান, শারমীন মুরশিদ ও মাহফুজ আলম।
দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অনেকে।
সংলাপের দ্বিতীয় দিনে ‘গুম–খুন থেকে জুলাই গণহত্যা: বিচারের চ্যালেঞ্জ’, ‘সংস্কারের দায় ও নির্বাচনের পথরেখা’ এবং ‘ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তা’ শিরোনামে তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব অধিবেশনে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও এম তৌহিদ হোসেন। রাজনীতিকদের মধ্যে থাকবেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুলাহ মোহাম্মদ তাহের, জোনায়েদ সাকিসহ অনেকেই।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
১ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
২ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
২ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
২ দিন আগে