
বাসস

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চলমান গ্রীষ্মকাল, সেচ মৌসুম ও পবিত্র রমজানে জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার সকলকে স্বস্তি দিবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ পবিত্র রমজান মাস, চলমান গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও শিল্প শ্রেণীতে গ্যাস বরাদ্দ সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নসরুল হামিদ বলেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ আমাদের মূল লক্ষ্য।
সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সেচ কাজের জন্য রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বৈদ্যুতিক পাম্প চালু থাকবে। সিএনজি স্টেশন বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ঈদ উপলক্ষে ৭ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে। এরপর আগের মতো সিএনজি স্টেশন খোলা ও বন্ধ থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আপনার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, অন্যের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মো. নুরুল আলম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্রনাথ সরকার ও পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহাবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চলমান গ্রীষ্মকাল, সেচ মৌসুম ও পবিত্র রমজানে জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার সকলকে স্বস্তি দিবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ পবিত্র রমজান মাস, চলমান গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও শিল্প শ্রেণীতে গ্যাস বরাদ্দ সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নসরুল হামিদ বলেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ আমাদের মূল লক্ষ্য।
সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সেচ কাজের জন্য রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বৈদ্যুতিক পাম্প চালু থাকবে। সিএনজি স্টেশন বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ঈদ উপলক্ষে ৭ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে। এরপর আগের মতো সিএনজি স্টেশন খোলা ও বন্ধ থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আপনার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, অন্যের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মো. নুরুল আলম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্রনাথ সরকার ও পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহাবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে