
বাসস

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নতুন মহাপরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী যোগদান করেছেন।
তিনি আজ বিকেলে বিদায়ী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসানের কাছ হতে বিজিবি মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বিজিবিতে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, ঢাকায় সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ও সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী ২৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের সাথে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালের ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে কমিশন লাভ করেন।
মেজর জেনারেল আশরাফ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি স্কুল অব আর্টিলারি, ফোর্ট সিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুর, ঢাকা, ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ, ওয়েলিংটন, তামিলনাড়–, ভারত এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, নয়াদিল্লি থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস), ভারতের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ও এমফিল এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি) থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
মেজর জেনারেল আশরাফ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন নিযুক্তিতে বিভিন্ন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ৫টি আর্টিলারি ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১টি আর্টিলারি রেজিমেন্ট ও ২টি আর্টিলারি ব্রিগেড কমান্ড করেছেন। তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ইনস্ট্রাক্টর, একটি পদাতিক ডিভিশনের স্টাফ অফিসার গ্রেড-৩, একটি পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর এবং একটি পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও তিনি ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) এর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মেজর জেনারেল আশরাফ জাতিসংঘ শান্তি মিশন ইথিওপিয়া এবং সুদান এ অংশগ্রহণ করে অত্যন্ত সফলতার সাথে মিশন সম্পন্ন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সচিবালয়ে শান্তিরক্ষী মিশন অপারেশন্স এ ফোর্স জেনারেশন অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নতুন মহাপরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী যোগদান করেছেন।
তিনি আজ বিকেলে বিদায়ী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসানের কাছ হতে বিজিবি মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বিজিবিতে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, ঢাকায় সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ও সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী ২৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের সাথে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালের ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে কমিশন লাভ করেন।
মেজর জেনারেল আশরাফ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি স্কুল অব আর্টিলারি, ফোর্ট সিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুর, ঢাকা, ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ, ওয়েলিংটন, তামিলনাড়–, ভারত এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, নয়াদিল্লি থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস), ভারতের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ও এমফিল এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি) থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
মেজর জেনারেল আশরাফ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন নিযুক্তিতে বিভিন্ন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ৫টি আর্টিলারি ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১টি আর্টিলারি রেজিমেন্ট ও ২টি আর্টিলারি ব্রিগেড কমান্ড করেছেন। তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ইনস্ট্রাক্টর, একটি পদাতিক ডিভিশনের স্টাফ অফিসার গ্রেড-৩, একটি পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর এবং একটি পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও তিনি ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) এর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মেজর জেনারেল আশরাফ জাতিসংঘ শান্তি মিশন ইথিওপিয়া এবং সুদান এ অংশগ্রহণ করে অত্যন্ত সফলতার সাথে মিশন সম্পন্ন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সচিবালয়ে শান্তিরক্ষী মিশন অপারেশন্স এ ফোর্স জেনারেশন অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে