
বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের বিস্ময়। আমরা ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর এবং ২১০০ সালের মধ্যে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষ্যে আজ বুধবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘পল্লী অঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ ও পণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিসহ নারীর ক্ষমতায়নে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আমরা সমবায়ভিত্তিক ব্যবসা উন্নয়নে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করেছি। দেশের প্রান্তিক মানুষ ও ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পের আওতায় সমবায়ভিত্তিক নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
উন্নয়নের এ ধারা চলমান রাখতে লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমবায় সমিতিগুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এমন আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী।
সরকারপ্রধান বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা ৪টি ভিত্তি নির্ধারণ করেছি-স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার। উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি-ইউসিসিএ এর মাধ্যমে সমবায়ী কৃষকদের স্মার্ট কৃষক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে সমবায়কে সংবিধানে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। তিনি সমবায়ভিত্তিক সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমুখী সমবায় আন্দোলনের সূচনা করেন এবং ১৯৭৩ সালের ২৮ আগস্ট ‘বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন’ গঠন করেন।
তিনি বলেন, বার্ষিক সাধারণ সভায় সমবায় সমিতির প্রতিনিধিগণ সমবায় অঙ্গনের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে পারস্পরিক মতবিনিময়, সুচিন্তিত মতামত প্রদান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন, যা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হলে সম্পূর্ণরূপে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আসুন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ তথা জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
বাণীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষ্যে দেশের ৪৭৯টি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির প্রতিনিধিসহ সকল সমবায়ীদেরকে শুভেচ্ছা জানান এবং বার্ষিক সাধারণ সভার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের বিস্ময়। আমরা ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর এবং ২১০০ সালের মধ্যে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষ্যে আজ বুধবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘পল্লী অঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ ও পণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিসহ নারীর ক্ষমতায়নে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আমরা সমবায়ভিত্তিক ব্যবসা উন্নয়নে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করেছি। দেশের প্রান্তিক মানুষ ও ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পের আওতায় সমবায়ভিত্তিক নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
উন্নয়নের এ ধারা চলমান রাখতে লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমবায় সমিতিগুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এমন আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী।
সরকারপ্রধান বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা ৪টি ভিত্তি নির্ধারণ করেছি-স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার। উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি-ইউসিসিএ এর মাধ্যমে সমবায়ী কৃষকদের স্মার্ট কৃষক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে সমবায়কে সংবিধানে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। তিনি সমবায়ভিত্তিক সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমুখী সমবায় আন্দোলনের সূচনা করেন এবং ১৯৭৩ সালের ২৮ আগস্ট ‘বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন’ গঠন করেন।
তিনি বলেন, বার্ষিক সাধারণ সভায় সমবায় সমিতির প্রতিনিধিগণ সমবায় অঙ্গনের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে পারস্পরিক মতবিনিময়, সুচিন্তিত মতামত প্রদান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন, যা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হলে সম্পূর্ণরূপে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আসুন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ তথা জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
বাণীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষ্যে দেশের ৪৭৯টি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির প্রতিনিধিসহ সকল সমবায়ীদেরকে শুভেচ্ছা জানান এবং বার্ষিক সাধারণ সভার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে