
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের রুখে দিতে জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর কষ্ট লাঘবে সরকার যে উন্নয়ন করছে, সেগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এ তাণ্ডব যারা করেছে, তাদের বিচার দেশবাসীকে করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫জুলাই) ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।
সরকার প্রধান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে কর্মক্ষেত্র এ পৌঁছাতে পারে সেটা সুনিশ্চিত করা হবে। দেশ যাতে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে পারে সেই চেষ্টাই করব। এ দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে, সেটা ব্যর্থ হতে পারে না। যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে, সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোন ধরনের মানসিকতা? ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রো স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে তা মানতে পারছি না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গেল ১৬ বছরে দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন করা হয়েছে। যার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে। এগুলোর ওপর এত ক্ষোভ কেন? রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টে সাধারণ মানুষেরই কষ্ট হবে। সেটা কি সাধারণ মানুষ ভেবেছে? যারা এই কষ্ট তৈরি করল, তাদেরকে জনগণেরই প্রতিহত করতে হবে। এসব তাণ্ডব যারা চালিয়েছে, তাদের বিচার জনগণকেই করতে হবে। দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোটা আন্দোলনকারীদের যেমন দাবি ছিল, তার থেকে বেশি পূরণ করা হয়েছে। তাহলে এখনো কিসের আন্দোলন। তাদের দাবি ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হয়েছে। যা ধ্বংসযজ্ঞকে সুযোগ করে দিচ্ছে।’

ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের রুখে দিতে জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর কষ্ট লাঘবে সরকার যে উন্নয়ন করছে, সেগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এ তাণ্ডব যারা করেছে, তাদের বিচার দেশবাসীকে করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫জুলাই) ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।
সরকার প্রধান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে কর্মক্ষেত্র এ পৌঁছাতে পারে সেটা সুনিশ্চিত করা হবে। দেশ যাতে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে পারে সেই চেষ্টাই করব। এ দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে, সেটা ব্যর্থ হতে পারে না। যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে, সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোন ধরনের মানসিকতা? ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রো স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে তা মানতে পারছি না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গেল ১৬ বছরে দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন করা হয়েছে। যার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে। এগুলোর ওপর এত ক্ষোভ কেন? রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টে সাধারণ মানুষেরই কষ্ট হবে। সেটা কি সাধারণ মানুষ ভেবেছে? যারা এই কষ্ট তৈরি করল, তাদেরকে জনগণেরই প্রতিহত করতে হবে। এসব তাণ্ডব যারা চালিয়েছে, তাদের বিচার জনগণকেই করতে হবে। দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোটা আন্দোলনকারীদের যেমন দাবি ছিল, তার থেকে বেশি পূরণ করা হয়েছে। তাহলে এখনো কিসের আন্দোলন। তাদের দাবি ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হয়েছে। যা ধ্বংসযজ্ঞকে সুযোগ করে দিচ্ছে।’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
৩ দিন আগে