
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুর কবলে পড়া বাংলাদেশীদের নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে। জানা গেছে,জাহাজের নাবিকরা নিরাপদ আছেন। তবে জাহাজটি পুরোপুরি দস্যুদের নিয়ন্ত্রণে এখন সোমালিয়া উপকূলের দিকে যাচ্ছে।
সর্বশেষ আজ বুধবার (১৩ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে নাবিকদের একজন ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ পরিবর্তিত পরিস্থিতির অবস্থা জানিয়ে তার ভাতিজাকে ভয়েস মেসেজ করেন।
মেসেজে তিনি বলেন, ‘আমাদের সোমালিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা আগামীকাল সেখানে পৌঁছাবো। যতটুক কথা হয়েছে, সেখানে আমাদের অপর একটি পার্টির কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের চতুর্থ প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় সর্বশেষ মুঠোফোনে মা জোছনা বেগমকে বলেন, আম্মু, ওরা মোবাইল নিয়ে নিচ্ছে। এখনো ইফতার করিনি। তারা খাবার দিলে ইফতার করব। কবির গ্রুপের চাচার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যেভাবেই হোক, আমাদের ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেন, আম্মু।’
। এরপর আজ বুধবার পর্যন্ত ছেলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি জোছনা বেগমের।
ছেলের চিন্তায় জোছনা বেগম আজ সকালে ছুটে যান চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কবির গ্রুপের কার্যালয়ে। এ সময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, যেভাবেই হোক তার ছেলেকে যেন ফিরিয়ে আনা হয়।
ছেলের সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য তুলে ধরে জোছনা বেগম বলেন, মোবাইল কেড়ে নেওয়ার আগে ছেলের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা হয়। জাহাজটি সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাচ্ছে দস্যুরা। তবে তারা কারও গায়ে হাত তোলেনি। জাহাজে পানির পরিমাণ কম। নাবিকদের জন্য দোয়া করতে বলেছে।
জলদস্যুদের কবলে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজের সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার তৌফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোবায়দা নোমান বলেন, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে কথা হয়েছিল। তিনি ফোনে বলেছেন, দোয়া করো। আমাদেরতো সোমালিয়ায় নিয়ে যাচ্ছে, হয়ত আর যোগাযোগ হবে না। কী হবে কিছুই তো আসলে জানি না। এটাই শেষ কথা। এরপরে আর কথা হয়নি।
উল্লেখ্য, মোজাম্বিকের মাপুতু বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা দেড়টায় জাহাজটিতে উঠে নিয়ন্ত্রণ নেয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। জাহাজটিতে ৫৫ হাজার টন কয়লা রয়েছে। জাহাজে থাকা ২৩ নাবিকের সবাই বাংলাদেশি। জাহাজটি চট্টগ্রামের কবির গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এস আর শিপিং লিমিটেডের মালিকানাধীন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে জাহাজটি জিম্মি করার পর এখন পর্যন্ত জলদস্যুদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি জাহাজের মালিকপক্ষের। কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের পক্ষ থেকে জাহাজের নাবিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা সুস্থ আছেন। নিরাপদ আছেন। জাহাজ এখন সোমালিয়া উপকূলের দিকে যাচ্ছে। পুরোপুরি দস্যুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘দস্যুরা নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নেওয়ার পর তাদের দাবি আমাদের কাছে জানাবে। এখন পর্যন্ত যোগাযোগ হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। নাবিকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাদেরকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি। তাদের পাশে আছি।
এদিকে সোমালীয় জলসীমায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজের নাবিকদের সুস্থ ফেরত আনার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
আজ বুধবার (১৩ মার্চ) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরে ফেরি, স্টিমার, লঞ্চসহ জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কর্মপন্থা গ্রহণের বৈঠকের শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুর কবলে পড়া বাংলাদেশীদের নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে। জানা গেছে,জাহাজের নাবিকরা নিরাপদ আছেন। তবে জাহাজটি পুরোপুরি দস্যুদের নিয়ন্ত্রণে এখন সোমালিয়া উপকূলের দিকে যাচ্ছে।
সর্বশেষ আজ বুধবার (১৩ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে নাবিকদের একজন ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ পরিবর্তিত পরিস্থিতির অবস্থা জানিয়ে তার ভাতিজাকে ভয়েস মেসেজ করেন।
মেসেজে তিনি বলেন, ‘আমাদের সোমালিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা আগামীকাল সেখানে পৌঁছাবো। যতটুক কথা হয়েছে, সেখানে আমাদের অপর একটি পার্টির কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের চতুর্থ প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় সর্বশেষ মুঠোফোনে মা জোছনা বেগমকে বলেন, আম্মু, ওরা মোবাইল নিয়ে নিচ্ছে। এখনো ইফতার করিনি। তারা খাবার দিলে ইফতার করব। কবির গ্রুপের চাচার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যেভাবেই হোক, আমাদের ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেন, আম্মু।’
। এরপর আজ বুধবার পর্যন্ত ছেলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি জোছনা বেগমের।
ছেলের চিন্তায় জোছনা বেগম আজ সকালে ছুটে যান চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কবির গ্রুপের কার্যালয়ে। এ সময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, যেভাবেই হোক তার ছেলেকে যেন ফিরিয়ে আনা হয়।
ছেলের সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য তুলে ধরে জোছনা বেগম বলেন, মোবাইল কেড়ে নেওয়ার আগে ছেলের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা হয়। জাহাজটি সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাচ্ছে দস্যুরা। তবে তারা কারও গায়ে হাত তোলেনি। জাহাজে পানির পরিমাণ কম। নাবিকদের জন্য দোয়া করতে বলেছে।
জলদস্যুদের কবলে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজের সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার তৌফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোবায়দা নোমান বলেন, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে কথা হয়েছিল। তিনি ফোনে বলেছেন, দোয়া করো। আমাদেরতো সোমালিয়ায় নিয়ে যাচ্ছে, হয়ত আর যোগাযোগ হবে না। কী হবে কিছুই তো আসলে জানি না। এটাই শেষ কথা। এরপরে আর কথা হয়নি।
উল্লেখ্য, মোজাম্বিকের মাপুতু বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা দেড়টায় জাহাজটিতে উঠে নিয়ন্ত্রণ নেয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। জাহাজটিতে ৫৫ হাজার টন কয়লা রয়েছে। জাহাজে থাকা ২৩ নাবিকের সবাই বাংলাদেশি। জাহাজটি চট্টগ্রামের কবির গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এস আর শিপিং লিমিটেডের মালিকানাধীন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে জাহাজটি জিম্মি করার পর এখন পর্যন্ত জলদস্যুদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি জাহাজের মালিকপক্ষের। কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের পক্ষ থেকে জাহাজের নাবিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা সুস্থ আছেন। নিরাপদ আছেন। জাহাজ এখন সোমালিয়া উপকূলের দিকে যাচ্ছে। পুরোপুরি দস্যুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘দস্যুরা নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নেওয়ার পর তাদের দাবি আমাদের কাছে জানাবে। এখন পর্যন্ত যোগাযোগ হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। নাবিকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাদেরকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি। তাদের পাশে আছি।
এদিকে সোমালীয় জলসীমায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজের নাবিকদের সুস্থ ফেরত আনার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
আজ বুধবার (১৩ মার্চ) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরে ফেরি, স্টিমার, লঞ্চসহ জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কর্মপন্থা গ্রহণের বৈঠকের শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে