
বাসস

সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে কৃষকদের সাথে নিয়ে ধান কাটলেন কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ। সেই সাথে দ্রুত ধান ঘরে তুলতে জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের তাগিদ দিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে এসে গলায় গামছা পড়ে ও কৃষকদের প্রচলিত তালপাতার গোল ছাতা মাথায় দিয়ে কাস্তে হাতে ধান কাটার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
পরে কম্বাইন্ড হারভেস্টারে চড়ে কৃষিমন্ত্রী ধান কাটার কলাকৌশল দেখেন। ধান কাটা শেষে পাকা ধানের কাটা মুঠ হাতে নিয়ে ছবি তুলেন।
এ সময় কৃষি মন্ত্রী বলেন, ধানের দাম নির্ধারণের জন্য আগামী রোববার আমাদের সভা হবে। খাদ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কৃষক যাতে ধানের ন্যায্য মূল্য পায় সে দিকে লক্ষ রাখা হবে। কৃষকরা যাতে ধান চাষে উৎসাহিত হয় সে ভাবেই ধানের দাম নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, এ বছর খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে দুই কোটি বাইশ লক্ষ মেট্রিক টন।
সদর উপজেলার লক্ষনশ্রী ইউনিয়নের দেখার হাওরপাড়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রাশেদ ইকবাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি, সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ সাদিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আবুল কালামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মন্ত্রী আরও বলেন, ধানের দামে যেন মধ্যসত্ত্বভোগী কেউ যাতে সুবিধা নিতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রকৃত কৃষকরাই যেন সঠিক দামে যেন ধান বিক্রি করতে পারে সে দিকে কঠোরভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। ধান বিক্রিতে যেন কোনও সিন্ডিকেট তৈরি না হয় সে ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জে ২ লাখ ২৩ হাজার ২শ ৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন কৃষকরা। এ থেকে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ২০২ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে যার বাজার মূল্য ৪ হাজার ১শ কোটি টাকা।

সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে কৃষকদের সাথে নিয়ে ধান কাটলেন কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ। সেই সাথে দ্রুত ধান ঘরে তুলতে জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের তাগিদ দিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে এসে গলায় গামছা পড়ে ও কৃষকদের প্রচলিত তালপাতার গোল ছাতা মাথায় দিয়ে কাস্তে হাতে ধান কাটার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
পরে কম্বাইন্ড হারভেস্টারে চড়ে কৃষিমন্ত্রী ধান কাটার কলাকৌশল দেখেন। ধান কাটা শেষে পাকা ধানের কাটা মুঠ হাতে নিয়ে ছবি তুলেন।
এ সময় কৃষি মন্ত্রী বলেন, ধানের দাম নির্ধারণের জন্য আগামী রোববার আমাদের সভা হবে। খাদ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কৃষক যাতে ধানের ন্যায্য মূল্য পায় সে দিকে লক্ষ রাখা হবে। কৃষকরা যাতে ধান চাষে উৎসাহিত হয় সে ভাবেই ধানের দাম নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, এ বছর খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে দুই কোটি বাইশ লক্ষ মেট্রিক টন।
সদর উপজেলার লক্ষনশ্রী ইউনিয়নের দেখার হাওরপাড়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রাশেদ ইকবাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি, সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ সাদিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আবুল কালামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মন্ত্রী আরও বলেন, ধানের দামে যেন মধ্যসত্ত্বভোগী কেউ যাতে সুবিধা নিতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রকৃত কৃষকরাই যেন সঠিক দামে যেন ধান বিক্রি করতে পারে সে দিকে কঠোরভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। ধান বিক্রিতে যেন কোনও সিন্ডিকেট তৈরি না হয় সে ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জে ২ লাখ ২৩ হাজার ২শ ৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন কৃষকরা। এ থেকে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ২০২ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে যার বাজার মূল্য ৪ হাজার ১শ কোটি টাকা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১ দিন আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে