
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মানবপাচার রোধে বিদেশগামীদের ভিসাসহ অন্যন্য তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্ত সংস্থাটি বিদেশে যাওয়ার আগে তাদের মানব পাচার সেলে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।
এছাড়া যে কোনো ধরনের মানব পাচার বা প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হলে অথবা সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে তথ্য দেওয়ার অনুরোধ করেছে।
বুধবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দপ্তরে ইউএনওডিসি’র ক্রাইম প্রিভেনশন অ্যান্ড ক্রিমিনাল জাস্টিস অফিসার ডিমোস্থেনিস ক্রাইসিকোসের সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়ার সিঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) আজাদ রহমান।
আজাদ রহমান জানান, মানব পাচার নিয়ে সিআইডি জাস্টিস কেয়ার, আইওএম, উইনরক, আইএলও, আইআরসি সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে প্রতিনিয়ত সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দ্রুত অপরাধীদের শাস্তি এবং সাক্ষীদের নিয়মিত কোর্টে হাজির করার জ্ন্য সিআইডি একটি “মানব পাচার সেল” গঠন করেছে। এই সেল মানব পাচারের শিকার ভিকটিম সাপোর্ট, মানব পাচার সংক্রান্তে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মামলা করার ব্যবস্থা গ্রহণ, মামলা অধিগ্রহণ, তদন্ত ও তদারকী, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ পূর্বক নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিগণ সরাসরি সিআইডি’র মানব পাচার সেলে অভিযোগ দাখিল করতে পারবে। হটলাইন নাম্বার 01320017060 ও ইমেইলthb.cid@ police.gov.bd।
এদিকে মতবিনিময় কালে সিআইডি এবং ইউএনওডিসি‘র মধ্যে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন, মানিলন্ডারিং, মানব পাচার অপরাধ দমন ও তদন্তে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়া তাদের আলোচনায় মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর ক্ষেত্রে ইউএনওডিসি’র করণীয় সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছিলো।
সিআইডি জানায়, মতবিনিময়ে মানব পাচার অপরাধের সাথে জড়িত সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের শাস্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মামলা তদন্ত, প্রসিকিউশন ও বিচার ব্যবস্থাসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের বিষয়ে সিআইডি প্রধান গুরুত্বারোপ করেন।
এ ছাড়া ইউএনওডিসির প্রতিনিধি মানবপাচার অপরাধ দমনে তথ্য আদান প্রদান, তথ্য শেয়ারিং এবং তদন্ত তদারকী ও তদন্তকারী কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মানবপাচার রোধে বিদেশগামীদের ভিসাসহ অন্যন্য তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্ত সংস্থাটি বিদেশে যাওয়ার আগে তাদের মানব পাচার সেলে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।
এছাড়া যে কোনো ধরনের মানব পাচার বা প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হলে অথবা সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে তথ্য দেওয়ার অনুরোধ করেছে।
বুধবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দপ্তরে ইউএনওডিসি’র ক্রাইম প্রিভেনশন অ্যান্ড ক্রিমিনাল জাস্টিস অফিসার ডিমোস্থেনিস ক্রাইসিকোসের সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়ার সিঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) আজাদ রহমান।
আজাদ রহমান জানান, মানব পাচার নিয়ে সিআইডি জাস্টিস কেয়ার, আইওএম, উইনরক, আইএলও, আইআরসি সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে প্রতিনিয়ত সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দ্রুত অপরাধীদের শাস্তি এবং সাক্ষীদের নিয়মিত কোর্টে হাজির করার জ্ন্য সিআইডি একটি “মানব পাচার সেল” গঠন করেছে। এই সেল মানব পাচারের শিকার ভিকটিম সাপোর্ট, মানব পাচার সংক্রান্তে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মামলা করার ব্যবস্থা গ্রহণ, মামলা অধিগ্রহণ, তদন্ত ও তদারকী, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ পূর্বক নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিগণ সরাসরি সিআইডি’র মানব পাচার সেলে অভিযোগ দাখিল করতে পারবে। হটলাইন নাম্বার 01320017060 ও ইমেইলthb.cid@ police.gov.bd।
এদিকে মতবিনিময় কালে সিআইডি এবং ইউএনওডিসি‘র মধ্যে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন, মানিলন্ডারিং, মানব পাচার অপরাধ দমন ও তদন্তে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়া তাদের আলোচনায় মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর ক্ষেত্রে ইউএনওডিসি’র করণীয় সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছিলো।
সিআইডি জানায়, মতবিনিময়ে মানব পাচার অপরাধের সাথে জড়িত সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের শাস্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মামলা তদন্ত, প্রসিকিউশন ও বিচার ব্যবস্থাসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের বিষয়ে সিআইডি প্রধান গুরুত্বারোপ করেন।
এ ছাড়া ইউএনওডিসির প্রতিনিধি মানবপাচার অপরাধ দমনে তথ্য আদান প্রদান, তথ্য শেয়ারিং এবং তদন্ত তদারকী ও তদন্তকারী কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে