
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে অনেকে বিক্ষোভ করছেন। আমরা তাদের বারবার বলছি, তারা যেন বঙ্গভবনের আশপাশে থেকে সরে যান। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র হাতে পাননি— দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে এমন কথা বলে তুমুল সমালোচনার শিকার হন রাষ্ট্রপতি। পরে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, এমন বক্তব্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন, শপথ ভঙ্গ করেছেন।
প্রধান উপদের প্রেসউইং এর আগে মঙ্গলবার জানায়, আইন উপদেষ্টার এ বক্তব্যের সঙ্গে সরকার একমত। এক্ষেত্রে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কী— এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা বলতে পারি, কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি। এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই।
এদিকে রাষ্ট্রপতির ওই বক্তব্যের জের ধরে তার পদত্যাগের দবি ওঠে। মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে সাত দিনের আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে আন্দোলন স্থগিত করে বুধবার বিকেল থেকে ফের বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছেন সমন্বয়করা।
এ প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল বলেন, যারা এই আলটিমেটাম দিচ্ছে, তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করুন। অনেক ধরনের দাবি অনেক জায়গায় তৈরি হয়। সব তো আমরা অ্যাড্রেস করতে পারি না।
বুধবার বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কোনো আলোচনা হয়নি। এটি একটি রুটিন আলোচনা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে বিএনপির প্রতিনিধি দল এসেছিল। আমরা মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের অংশীজন। তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে, সামনে আরও হবে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে অনেকে বিক্ষোভ করছেন। আমরা তাদের বারবার বলছি, তারা যেন বঙ্গভবনের আশপাশে থেকে সরে যান। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র হাতে পাননি— দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে এমন কথা বলে তুমুল সমালোচনার শিকার হন রাষ্ট্রপতি। পরে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, এমন বক্তব্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন, শপথ ভঙ্গ করেছেন।
প্রধান উপদের প্রেসউইং এর আগে মঙ্গলবার জানায়, আইন উপদেষ্টার এ বক্তব্যের সঙ্গে সরকার একমত। এক্ষেত্রে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কী— এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা বলতে পারি, কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি। এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই।
এদিকে রাষ্ট্রপতির ওই বক্তব্যের জের ধরে তার পদত্যাগের দবি ওঠে। মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে সাত দিনের আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে আন্দোলন স্থগিত করে বুধবার বিকেল থেকে ফের বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছেন সমন্বয়করা।
এ প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল বলেন, যারা এই আলটিমেটাম দিচ্ছে, তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করুন। অনেক ধরনের দাবি অনেক জায়গায় তৈরি হয়। সব তো আমরা অ্যাড্রেস করতে পারি না।
বুধবার বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কোনো আলোচনা হয়নি। এটি একটি রুটিন আলোচনা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে বিএনপির প্রতিনিধি দল এসেছিল। আমরা মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের অংশীজন। তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে, সামনে আরও হবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে