
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঈদে সবার জীবনে আনাবিল সুখ-শান্তি নেমে আসুক। আগামী দিনগুলো আরও সুন্দরভাবে যাক সেটাই কামনা করি।’ বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ছোটবোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে গণভবনে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ খেতে আসে না, দিতে আসে। আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে থাকে, মানুষের কল্যাণে কাজ করে। মানুষের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আজকের দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বাবা, মা, ভাই-বোন সব হারিয়েছি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। শ্রদ্ধা জানাই ৩০ লক্ষ শহিদের প্রতি। শ্রদ্ধা জানায় জাতীয় চার নেতার প্রতি।’
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়েছেন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। আজকে আমরা দারিদ্রের হার কমাতে পেরেছি। কিন্তু এখনো যেটুকু দারিদ্র রয়েছে, আমারা আগামীতে ইনশাল্লাহ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারব। এটাই আমাদের প্রতীজ্ঞা। পবিত্র ঈদের দিনে আমরা সেটাই চাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের আওয়ামী লীগের অগনিত নেতাকর্মী, সংসদ সদস্যসহ, সামরিক-অসামরিক, জনপ্রশাসনসহ অন্যান্য সংগঠনকে। আমি যখন বলেছি ইফতার পার্টি করব না। মানুষের মাঝে ইফতার বিলিয়ে দেব, মানুষের পাশে দাাঁড়াব। সেই নির্দেশ পাওয়ার পর সবাই যার যার অবস্থান থেকে মানুষকে ইফতার দিয়েছেন। যারা সাধারণ মানুষ, নিম্নবিত্ত মানুষ তাদের কাছে ইফতার পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত পবিত্র কাজ, আপনারা করেছেন।’
গণভবনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ রেহানা ও নিজের পক্ষ থেকে তাদের সবার পরিবারকে ঈদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। আনন্দের এ সময় সবাইকে নিজের পরিবারকে সময় দেয়ার পরামর্শ দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঈদে সবার জীবনে আনাবিল সুখ-শান্তি নেমে আসুক। আগামী দিনগুলো আরও সুন্দরভাবে যাক সেটাই কামনা করি।’ বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ছোটবোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে গণভবনে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ খেতে আসে না, দিতে আসে। আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে থাকে, মানুষের কল্যাণে কাজ করে। মানুষের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আজকের দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বাবা, মা, ভাই-বোন সব হারিয়েছি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। শ্রদ্ধা জানাই ৩০ লক্ষ শহিদের প্রতি। শ্রদ্ধা জানায় জাতীয় চার নেতার প্রতি।’
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়েছেন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। আজকে আমরা দারিদ্রের হার কমাতে পেরেছি। কিন্তু এখনো যেটুকু দারিদ্র রয়েছে, আমারা আগামীতে ইনশাল্লাহ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারব। এটাই আমাদের প্রতীজ্ঞা। পবিত্র ঈদের দিনে আমরা সেটাই চাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের আওয়ামী লীগের অগনিত নেতাকর্মী, সংসদ সদস্যসহ, সামরিক-অসামরিক, জনপ্রশাসনসহ অন্যান্য সংগঠনকে। আমি যখন বলেছি ইফতার পার্টি করব না। মানুষের মাঝে ইফতার বিলিয়ে দেব, মানুষের পাশে দাাঁড়াব। সেই নির্দেশ পাওয়ার পর সবাই যার যার অবস্থান থেকে মানুষকে ইফতার দিয়েছেন। যারা সাধারণ মানুষ, নিম্নবিত্ত মানুষ তাদের কাছে ইফতার পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত পবিত্র কাজ, আপনারা করেছেন।’
গণভবনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ রেহানা ও নিজের পক্ষ থেকে তাদের সবার পরিবারকে ঈদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। আনন্দের এ সময় সবাইকে নিজের পরিবারকে সময় দেয়ার পরামর্শ দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে