
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক মো. তৌহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির 'মৃত্যু'র ঘটনায় একজন ক্যাম্প কমান্ডারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এ ঘটনায় সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক হওয়া তৌহিদুলকে। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তৌহিদুল।
এ ঘটনাকে 'অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক' অভিহিত করেছে আইএসপিআর। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর সঙ্গে জড়িত সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডারকে 'তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার' করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় 'মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের জন্য একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
এদিকে ঘটনাটি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে যেকোনো ধরনের নির্যাতন বা মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। সরকার এ ঘটনাটিও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার, যা নিশ্চিত করতে শীর্ষ মানবাধিকার কর্মীরা কাজ করে।যাচ্ছেন। সরকার অন্যান্য খাতের মতো অপরাধীদের বিচার ও আইনের আওতায় আনা নিয়েও সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। কমিশনগুলো যেসব প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ও দেবে, সেগুলো নিয়ে সরকার অংশীজনদের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপ করবে। এর মাধ্যমে পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ ও অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার বিভিন্ন ধাপে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো তৎপরতা দূর করার সুযোগ তৈরি হবে।

কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক মো. তৌহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির 'মৃত্যু'র ঘটনায় একজন ক্যাম্প কমান্ডারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এ ঘটনায় সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক হওয়া তৌহিদুলকে। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তৌহিদুল।
এ ঘটনাকে 'অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক' অভিহিত করেছে আইএসপিআর। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর সঙ্গে জড়িত সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডারকে 'তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার' করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় 'মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের জন্য একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
এদিকে ঘটনাটি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে যেকোনো ধরনের নির্যাতন বা মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। সরকার এ ঘটনাটিও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার, যা নিশ্চিত করতে শীর্ষ মানবাধিকার কর্মীরা কাজ করে।যাচ্ছেন। সরকার অন্যান্য খাতের মতো অপরাধীদের বিচার ও আইনের আওতায় আনা নিয়েও সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। কমিশনগুলো যেসব প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ও দেবে, সেগুলো নিয়ে সরকার অংশীজনদের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপ করবে। এর মাধ্যমে পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ ও অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার বিভিন্ন ধাপে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো তৎপরতা দূর করার সুযোগ তৈরি হবে।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে