
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রবিবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃতুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাংবাদিক ইহসানুল করিমকে ২০১৫ সালের ১৫ জুন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়। তার নিয়োগের মেয়াদ ২০১৬ সালের ১৬ জুন তিন বছরের জন্য বাড়ানো হয়।
ইহসানুল করিমের নিয়োগের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১৮ জুন আরো তিনবছর মেয়াদে বাড়ানো হয় এবং ২০১৯ সালের ২৯ মে এ সংক্রান্ত একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে, তিনি রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ২০০৯-২০১৩ সালে জাতীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বাসসে তিনি ১৯৭২ সালে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।
ইহসানুল করিম তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে বিবিসি (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন) ও পিটিআই (প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া)-সহ কয়েকটি বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
জাতির পিতার উদাত্ত আহ্ববানে সাড়া দিয়ে তিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ)-এর সদস্য হিসেবে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেন।
ইহসানুল করিম কুষ্টিয়া জেলার এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম ডিগ্রি লাভ করেন।
তিনি বাসসের নয়াদিল্লি সংবাদদাতা হিসেবে ভারতে ৫ বছর কাজ করেন।
ইহসানুল করিমের সহধর্মিণীর নাম মমতাজ শিরিন করিম। তাদের এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রবিবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃতুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাংবাদিক ইহসানুল করিমকে ২০১৫ সালের ১৫ জুন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়। তার নিয়োগের মেয়াদ ২০১৬ সালের ১৬ জুন তিন বছরের জন্য বাড়ানো হয়।
ইহসানুল করিমের নিয়োগের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১৮ জুন আরো তিনবছর মেয়াদে বাড়ানো হয় এবং ২০১৯ সালের ২৯ মে এ সংক্রান্ত একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে, তিনি রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ২০০৯-২০১৩ সালে জাতীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বাসসে তিনি ১৯৭২ সালে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।
ইহসানুল করিম তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে বিবিসি (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন) ও পিটিআই (প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া)-সহ কয়েকটি বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
জাতির পিতার উদাত্ত আহ্ববানে সাড়া দিয়ে তিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ)-এর সদস্য হিসেবে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেন।
ইহসানুল করিম কুষ্টিয়া জেলার এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম ডিগ্রি লাভ করেন।
তিনি বাসসের নয়াদিল্লি সংবাদদাতা হিসেবে ভারতে ৫ বছর কাজ করেন।
ইহসানুল করিমের সহধর্মিণীর নাম মমতাজ শিরিন করিম। তাদের এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে