
বাসস

বাংলাদেশ ও সৌদি আরব বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের সভাপতি শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল শেখ বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এই আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এই বিষয়ে ব্রিফ করেন।
মুন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনের মূলে রয়েছে সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহাসিক বন্ধন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মুসলমানদের জন্য ইসলামের জন্ম সৌদি আরব এবং দুটি পবিত্র স্থান মক্কা ও মদিনার আমাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাজার হাজার বাংলাদেশি পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রী দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বৈশ্বিক ইস্যূতে সৌদি আরবের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সংস্কার এবং উদীয়মান ভূমিকার জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।
শেখ ড. আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল শেখ প্রধানমন্ত্রী পদে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, সৌদি আরব সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে ছিল এবং ঢাকার সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের নজিরবিহীন উন্নয়নের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মুন সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের সভাপতির উদ্ধৃত দিয়ে বলেন, তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দৃষ্টান্তমূলক ও অনুকরণীয়।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের শুভেচ্ছাও জানান।
সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের শুভেচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে শেখ হাসিনাও যুবরাজকে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব মো.তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরব বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের সভাপতি শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল শেখ বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এই আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এই বিষয়ে ব্রিফ করেন।
মুন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনের মূলে রয়েছে সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহাসিক বন্ধন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মুসলমানদের জন্য ইসলামের জন্ম সৌদি আরব এবং দুটি পবিত্র স্থান মক্কা ও মদিনার আমাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাজার হাজার বাংলাদেশি পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রী দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বৈশ্বিক ইস্যূতে সৌদি আরবের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সংস্কার এবং উদীয়মান ভূমিকার জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।
শেখ ড. আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল শেখ প্রধানমন্ত্রী পদে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, সৌদি আরব সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে ছিল এবং ঢাকার সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের নজিরবিহীন উন্নয়নের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মুন সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের সভাপতির উদ্ধৃত দিয়ে বলেন, তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দৃষ্টান্তমূলক ও অনুকরণীয়।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের শুভেচ্ছাও জানান।
সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের শুভেচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে শেখ হাসিনাও যুবরাজকে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব মো.তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে