
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাংবাদিক দম্পতি বিচার নিশ্চিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘ঘটনা সম্বন্ধে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না কিন্তু একটা বাস্তবতা হচ্ছে, ঘটনাটা যেমনভাবে ঘটেছে, এটা যে কোনো তদন্তকারী সংস্থার জন্য এটা একটু কঠিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে জন্য আমি বলবো, একটু অপেক্ষা করার প্রয়োজন আছে।’
রোববার দুপুরে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সাগর-রুনির পরিবার হতাশা ব্যক্ত করেছে, তারা আদৌ বিচার পাবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সাগর-রুনির মৃত্যু বার্ষিকী, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য শতাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে। র্যাব এখন তদন্তের যে অবস্থায় আছে, তাতে এক রকম ব্যর্থতার মধ্যে পড়ে। আপনারা তদন্তভার সিআইডি বা পিবিআইকে দেবেন কি না—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একদম দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই যে, এই হত্যাকাণ্ডের আসল অপরাধীদেরকে ধরে, তাদের অবশ্যই বিচার করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই হত্যার বিচারটা হারিয়ে যাবে না। এটাও আমি পরিষ্কার করব।’
উদাহরণ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরে আমাদেরও কিন্তু এ রকম একটা হতাশা ছিল এবং হতাশা আরও গাঢ় ছিল। তার কারণ হচ্ছে, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারে আসার পরে এই বিচারকার্য শুরু হয়েছে, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল হয়েছে, বিচারকার্য শেষ হয়েছে। এই বিচারকার্য শেষ হওয়ার পরে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধ যারা করেছিলেন তাদেরও বিচার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে আমি বলবো, এখন সেই অপসংস্কৃতি এখন নেই যে, কোনো হত্যাকাণ্ড বিচার ছাড়া আমাদের মন থেকে হারিয়ে যাবে।
‘তারা হতাশ হয়েছেন, তাদের আমি আশ্বস্ত করতে চাই, এই বিচার হবে। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়ার জন্য যে যে পদক্ষেপ সরকারের নেওয়া উচিত, নিশ্চয়ই সরকার সেটা নেবে। যদি মনে হয়, র্যাবের কাছ থেকে তদন্তের জায়গা পরিবর্তন করা; সেটাও যদি দরকার হয়, অবশ্যই আমরা করব কিন্তু র্যাব যেটা করছে, সেটা র্যাবের ব্যর্থতা বলে আমি মনে করি না,’ যোগ করেন তিনি।

সাংবাদিক দম্পতি বিচার নিশ্চিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘ঘটনা সম্বন্ধে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না কিন্তু একটা বাস্তবতা হচ্ছে, ঘটনাটা যেমনভাবে ঘটেছে, এটা যে কোনো তদন্তকারী সংস্থার জন্য এটা একটু কঠিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে জন্য আমি বলবো, একটু অপেক্ষা করার প্রয়োজন আছে।’
রোববার দুপুরে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সাগর-রুনির পরিবার হতাশা ব্যক্ত করেছে, তারা আদৌ বিচার পাবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সাগর-রুনির মৃত্যু বার্ষিকী, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য শতাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে। র্যাব এখন তদন্তের যে অবস্থায় আছে, তাতে এক রকম ব্যর্থতার মধ্যে পড়ে। আপনারা তদন্তভার সিআইডি বা পিবিআইকে দেবেন কি না—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একদম দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই যে, এই হত্যাকাণ্ডের আসল অপরাধীদেরকে ধরে, তাদের অবশ্যই বিচার করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই হত্যার বিচারটা হারিয়ে যাবে না। এটাও আমি পরিষ্কার করব।’
উদাহরণ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরে আমাদেরও কিন্তু এ রকম একটা হতাশা ছিল এবং হতাশা আরও গাঢ় ছিল। তার কারণ হচ্ছে, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারে আসার পরে এই বিচারকার্য শুরু হয়েছে, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল হয়েছে, বিচারকার্য শেষ হয়েছে। এই বিচারকার্য শেষ হওয়ার পরে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধ যারা করেছিলেন তাদেরও বিচার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে আমি বলবো, এখন সেই অপসংস্কৃতি এখন নেই যে, কোনো হত্যাকাণ্ড বিচার ছাড়া আমাদের মন থেকে হারিয়ে যাবে।
‘তারা হতাশ হয়েছেন, তাদের আমি আশ্বস্ত করতে চাই, এই বিচার হবে। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়ার জন্য যে যে পদক্ষেপ সরকারের নেওয়া উচিত, নিশ্চয়ই সরকার সেটা নেবে। যদি মনে হয়, র্যাবের কাছ থেকে তদন্তের জায়গা পরিবর্তন করা; সেটাও যদি দরকার হয়, অবশ্যই আমরা করব কিন্তু র্যাব যেটা করছে, সেটা র্যাবের ব্যর্থতা বলে আমি মনে করি না,’ যোগ করেন তিনি।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে