
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নৈশভোজে একই টেবিলে তার পাশের চেয়ারেই ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় থাইল্যান্ডের ব্যাংককের একটি হোটেলে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নৈশভোজে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার।
প্রধান উপদেষ্টার বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই অন্যতম আলোচিত ইস্যু ইউনূস-মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার সম্পর্কে কিছুটা হলেও স্থবিরতা দেখা দেয়। দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, সীমান্তে হত্যাসহ নানা ইস্যু নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।
সবকিছুর পরও দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। কূটনৈতিক অঙ্গনেও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার কথা বারবার বলা হয়েছে। এর মধ্যেই বিমসটেক সম্মেলনে দুই দেশের সরকারপ্রধানই যোগ দিয়েছেন। সে কারণেই এই সম্মেলনের সাইডলাইনে দুজনের বৈঠক হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। শুরুতে দিল্লি এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া না দিলেও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, শুক্রবার দুজন বৈঠকে বসবেন।
এর আগেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিমসটেকের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়লে তাতে দেখা গেছে, একই টেবিলে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি পাশাপাশি বসে আছেন।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকেও বিমসটেকের নৈশভোজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি পাঠানো হয়েছে গণমাধ্যমে। সেখানেও দুজনকে পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া থাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফটোসেশনের ছবিও রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুকে নৈশভোজের কিছু ছবি দিয়ে লিখেছেন, বিমসটেকের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ।
এই সম্মেলনে যোগ দিতেই বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড গেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এবারের বিমসটেক থেকে বাংলাদেশকে এই আঞ্চলিক জোটের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবারই দেশে ফিরবেন প্রধান উপদেষ্টা।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নৈশভোজে একই টেবিলে তার পাশের চেয়ারেই ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় থাইল্যান্ডের ব্যাংককের একটি হোটেলে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নৈশভোজে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার।
প্রধান উপদেষ্টার বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই অন্যতম আলোচিত ইস্যু ইউনূস-মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার সম্পর্কে কিছুটা হলেও স্থবিরতা দেখা দেয়। দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, সীমান্তে হত্যাসহ নানা ইস্যু নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।
সবকিছুর পরও দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। কূটনৈতিক অঙ্গনেও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার কথা বারবার বলা হয়েছে। এর মধ্যেই বিমসটেক সম্মেলনে দুই দেশের সরকারপ্রধানই যোগ দিয়েছেন। সে কারণেই এই সম্মেলনের সাইডলাইনে দুজনের বৈঠক হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। শুরুতে দিল্লি এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া না দিলেও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, শুক্রবার দুজন বৈঠকে বসবেন।
এর আগেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিমসটেকের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়লে তাতে দেখা গেছে, একই টেবিলে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি পাশাপাশি বসে আছেন।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকেও বিমসটেকের নৈশভোজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি পাঠানো হয়েছে গণমাধ্যমে। সেখানেও দুজনকে পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া থাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফটোসেশনের ছবিও রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুকে নৈশভোজের কিছু ছবি দিয়ে লিখেছেন, বিমসটেকের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ।
এই সম্মেলনে যোগ দিতেই বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড গেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এবারের বিমসটেক থেকে বাংলাদেশকে এই আঞ্চলিক জোটের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবারই দেশে ফিরবেন প্রধান উপদেষ্টা।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে