
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ড্রাইভার ও এমএলএস পদে ২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর থমকে থাকা বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
এ বিষয়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের রিভিউ চেয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কর্তৃপক্ষের করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।
আদালতে ৮৬ জন প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। কয়লাখনির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এম মাছুম।
পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, ড্রাইভার, এমএলএস পদে নিয়োগের জন্য ২০০৯ সালের একটা সার্কুলারে রিটকারী এই ৮৬ জন আবেদন করেন। কিছু আছে বড় পুকুরিয়াতে আগে থেকে চুক্তি অনুসারে কাজ করছে। তাদের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হয়েছে। পরে নিয়োগ না দেওয়ায় তারা রিট করেন।
রিটের চূড়ান্ত শুনানির পর সার্কুলারের যোগ্যতা অনুসারে হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নের নির্দেশ দেন।
এর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ লিভ টু আপিল (সিপি) করেছিল, কিন্তু সেটা ডিসমিস করে দেন আপিল বিভাগ। পরে তারা রিভিউ করেছেন। যেটি আজকে খারিজ করে দিয়ে আপিল বিভাগ।

ড্রাইভার ও এমএলএস পদে ২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর থমকে থাকা বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
এ বিষয়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের রিভিউ চেয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কর্তৃপক্ষের করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।
আদালতে ৮৬ জন প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। কয়লাখনির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এম মাছুম।
পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, ড্রাইভার, এমএলএস পদে নিয়োগের জন্য ২০০৯ সালের একটা সার্কুলারে রিটকারী এই ৮৬ জন আবেদন করেন। কিছু আছে বড় পুকুরিয়াতে আগে থেকে চুক্তি অনুসারে কাজ করছে। তাদের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হয়েছে। পরে নিয়োগ না দেওয়ায় তারা রিট করেন।
রিটের চূড়ান্ত শুনানির পর সার্কুলারের যোগ্যতা অনুসারে হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নের নির্দেশ দেন।
এর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ লিভ টু আপিল (সিপি) করেছিল, কিন্তু সেটা ডিসমিস করে দেন আপিল বিভাগ। পরে তারা রিভিউ করেছেন। যেটি আজকে খারিজ করে দিয়ে আপিল বিভাগ।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে