
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কর্তব্যরত অবস্থায় আহত ও অসুস্থ পুলিশ সদস্যের চিকিৎসার জন্য এবং নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের জন্য ডিএমপির কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।
সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে ২১৭ জন পুলিশ সদস্যের অনুকূলে ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার।
এর আগে গত ২০ মার্চ ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে কল্যাণ তহবিল ব্যবস্থাপনা পরিষদের ৭৩তম সভা ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২১৭ জন পুলিশ সদস্যের অনুকূলে ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান মঞ্জুর করা হয়।
আর্থিক অনুদান দেওয়া শেষে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা বিশ্বাস করি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ একটি পরিবার। ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ কবির এ নীতির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাদের এই আর্থিক সহায়তা চলমান থাকবে।
ডিএমপির অসুস্থ সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ ও রোগ মুক্তি কামনা করে কমিশনার বলেন, ‘জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যারা আহত হয়েছেন তারা আমাদের সহকর্মী। তাদের সুস্থ করার জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হবে। আমাদের পারস্পরিক বন্ধন সম্পর্ক যেন অটুট থাকে, আরো বেশি মজবুত হয় সে প্রচেষ্টা আমাদের অব্যাহত থাকবে।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সবচেয়ে ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বসেন। এজন্য কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ডিএমপির ব্যবস্থাপনায় সেখানে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা পাবেন।’ প্রয়োজনে তিনি নিজেই কথা বলবেন বলে জানান কমিশনার।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কর্তব্যরত অবস্থায় আহত ও অসুস্থ পুলিশ সদস্যের চিকিৎসার জন্য এবং নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের জন্য ডিএমপির কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।
সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে ২১৭ জন পুলিশ সদস্যের অনুকূলে ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার।
এর আগে গত ২০ মার্চ ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে কল্যাণ তহবিল ব্যবস্থাপনা পরিষদের ৭৩তম সভা ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২১৭ জন পুলিশ সদস্যের অনুকূলে ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান মঞ্জুর করা হয়।
আর্থিক অনুদান দেওয়া শেষে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা বিশ্বাস করি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ একটি পরিবার। ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ কবির এ নীতির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাদের এই আর্থিক সহায়তা চলমান থাকবে।
ডিএমপির অসুস্থ সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ ও রোগ মুক্তি কামনা করে কমিশনার বলেন, ‘জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যারা আহত হয়েছেন তারা আমাদের সহকর্মী। তাদের সুস্থ করার জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হবে। আমাদের পারস্পরিক বন্ধন সম্পর্ক যেন অটুট থাকে, আরো বেশি মজবুত হয় সে প্রচেষ্টা আমাদের অব্যাহত থাকবে।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সবচেয়ে ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বসেন। এজন্য কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ডিএমপির ব্যবস্থাপনায় সেখানে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা পাবেন।’ প্রয়োজনে তিনি নিজেই কথা বলবেন বলে জানান কমিশনার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে